
কলকাতা, ১১ নভেম্বরঃ আন্দোলনকারীকে পুলিশের ‘কামড়’ নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে একদল। তেমনই অনেকেই আবার পুলিশের আচরণকে সমর্থন করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার স্পিকারের গলাতেও সমর্থনের সুর। যা নিয়ে দানা বেঁধেছে বিতর্ক।
শুক্রবার বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় (Biman Bondhopadhya ) বলেন, “প্ররোচনা দিলে অনেক কিছুই হতে পারে।” অর্থাৎ অভিযুক্ত পুলিশের আচরণের পক্ষেই সওয়াল করেছেন তিনি। এ বিষয়ে এদিন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “যা হয়েছে ঠিক হয়নি। পুলিশের কোড অফ কন্ডাক্টে এটা করা যায় না। তবে কী ঘটনা হয়েছে তদন্ত হচ্ছে।” বিরোধীরা আন্দোলনকারীদের উসকানি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বুধবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের সামনে চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন টেট উত্তীর্ণরা। বিক্ষোভ হঠাতে গেলে চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতি শুরু হয়। টেনে হিঁচড়ে বিক্ষোভকারীদের প্রিজন ভ্যানে তোলার চেষ্টা করা হয়। প্রিজন ভ্যানের চাকার সামনে শুয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। অশান্তির মাঝে বিক্ষোভকারী অরুণিমা পালের দিকে ছুটে আসেন ইভা থাপা নামে এক পুলিশকর্মী। হাতে কামড় বসান ওই মহিলা পুলিশকর্মী। যদিও পুলিশের তরফে পালটা অরুণিমার বিরুদ্ধে মারধর ও কামড়ের অভিযোগ তোলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, কামড় প্রসঙ্গে উঠে এসেছে একাধিক তত্ত্ব। গতকাল পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছিল, বিক্ষোভকারী অরুনিমা পালই নাকি আগে কামড় দিয়েছিল পুলিশকে। সেই ফুটেজও নাকি রয়েছে। সেই দাবির প্রেক্ষিতে কামড়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীর হয়ে সওয়াল করেছেন অনেকেই।
