
হুগলি, ১৫ অক্টোবর : পৈত্রিক সম্পত্তিতে ভাগ পাওয়ায় দাবিতে শনিবার হুগলির ডানকুনিতে ধর্নায় বসেন এক এমএ পাশ মহিলা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় ডানকুনিতে।পৌরসভার চামুণ্ডা মন্দির সংলগ্ন বাড়িতে শনিবার সকালে ধর্নায় বসেন পিয়ালী পাল। তাঁর দাবি, দীর্ঘ দিন ধরে দাদার সহযোগিতায় বৌদি পাপিয়া পাল মানসিক ভাবে অত্যাচার করে যাচ্ছেন তাঁর উপর। এমনকী বাবার পৈত্রিক সম্পত্তি থেকেও বঞ্চিত করার চেষ্টা চলছে। বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সমাধান মেলেনি। সেই কারণে ধর্নায় বসেছেন তিনি। এ ব্যাপারে কাঠগড়ায় তুলছেন দাদা-বৌদিকে। যদিও দাদা-বৌদি গোটা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। দাদা সমীর পাল আবার দাবি করে বলেছেন, তাঁর বোন বিয়ের পর থেকেই অশান্তি শুরু করেছে। উল্টে তাঁদেরই বাড়িতে না থাকার হুমকি দিচ্ছেন।পিয়ালির অভিযোগ, বাবার নিজস্ব বাড়ি। তিনি মারা গিয়েছেন। আমার ন্যায্য অধিকার রয়েছে এই বাড়িতে। বৌদি আমার উপর অত্যাচার করছে। আমায় ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি রবীন্দ্র ভারতী থেকে এমএ পাশ করেছিলাম। এখন আমায় রাস্তায় নামতে হয়েছে। প্রশাসনকে জানিয়েছি। পাড়া-প্রতিবেশী সব জানে। অনেক চিৎকার করেছি। পুরসভায় জানিয়েছি। পুরসভা পুলিশের কাছে পাঠাচ্ছে। পুলিশ বাড়িতে পাঠাচ্ছে। ২০২০ সালে করোনার সময় পুরসভাতেও আবেদন দিয়েছিলাম। কিন্তু লাভ হয়নি।’অপরদিকে, ওই মহিলার দাদার বক্তব্য, ‘আমরা চার বোন দুই ভাই। কুড়ি বছর আগে বিয়ে করেছি। আমি বড়। আমি বোনেদের দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে দিয়েছি। আমার বোন আর আমার মা দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচার করছে আমার বৌয়ের উপর। বধূনির্যাতন করছে ওরা। আমি কোনও কাউন্সিলরকে কিছু বলিনি। থানায় গেছিলাম অফিসাররা আমায় বলে-বুঝিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে।’
