Breaking News
 
বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের Anubrata Mandal: কেষ্টর নিরাপত্তায় রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, এবার সশস্ত্র দেহরক্ষী পেলেন অনুব্রত Humayun Kabir: ‘২০২৯-এর পর দুবাই চলে যাব’, রেজিনগরে হারতেই বড় ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের! WB By-Elections: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির জয়জয়কার, ‘কংগ্রেস মরা দল’ কটাক্ষ শুভেন্দুর, সংখ্যালঘুদেরও ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর President Murmu to meet I.N.D.I.A. bloc leaders: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে একজোট ইন্ডিয়া, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মমতা-রাহুলরা Appointment Letter for an Athlete: খেলার মাঠে সাফল্যের স্বীকৃতি, ৭৮ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরির পথে রাজ্য সরকার

 

kolkata

2 years ago

Encroachers Eviction in Rampurhat: উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে রামপুরহাটে ধুন্ধুমার,কান্নায় ভেঙে পড়লেন ব্যবসায়ীরা

Encroachers Eviction in Rampurhat
Encroachers Eviction in Rampurhat

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বীরভূমের রামপুরহাটে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। সাজানো দোকান ভেঙে পড়তেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন রামপুরহাটের ১৭ এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের অস্থায়ী ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার সকাল তখন সাড়ে সাতটা হবে, রামপুরহাটের ফুড পার্কে বুলডোজার নিয়ে জবরদখল উচ্ছেদে নামে স্থানীয় প্রশাসন।দোকান ভেঙে দেওয়ায় কয়েক জন ব্যবসায়ী কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁদের প্রশ্ন, কেন আগাম নোটিস দিয়ে দখলমুক্তি অভিযানে এল না পুলিশ? যদিও প্রশাসনের দাবি, বুধবারই ওই ব্যবসায়ীদের ওখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য মাইক নিয়ে প্রচারও চালানো হয়। কিন্তু তাঁরা না সরার কারণেই এই পদক্ষেপ।

রামপুরহাট পুরসভার অন্তর্গত ১৭ এবং তিন নম্বর ওয়ার্ডে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রামপুরহাটের মহকুমা শাসক সৌরভ পাণ্ডে, রামপুরহাট পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত এবং রামপুরহাট থানার আইসি-সহ পুলিশবাহিনী।প্রশাসনের তরফে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে উচ্ছেদ অভিযানে যাওয়ার সময়ই ওই ওয়ার্ডের সিপিএম কাউন্সিলর এবং কয়েক জন ব্যবসায়ীর সঙ্গে বচসা বাধে পুলিশের। ধাক্কাধাক্কিও হয়। অনেকেই কেঁদে ফেলেন।বিক্ষুব্ধদের দাবি, কোনও আগাম নোটিস না দিয়েই পুলিশ উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে। যদিও পুলিশি তৎপরতায় পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা নিরুপায় হয়ে দেখতে থাকেন।

স্থানীয় এক ব্যবসায়ী আতিমা বিবির কথায়, ‘‘আমাদের কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। আমাকে দোকান থেকে জিনিসপত্রও বার করতে দেয়নি। তার আগেই ভেঙে দিল। ছোট দোকানগুলো ভাঙছে। কিন্তু বড় দোকানগুলোতে কিছু করা হচ্ছে না। আমরা গরিব মানুষ। আমি কোথায় গিয়ে ব্যবসা করব? ছেলেমেয়েদের মুখে কী ভাবে খাবার তুলে দেব? কালকে রাতে শুনেছিলাম ভাঙবে। একটু তো সময় দিতে হবে।’’

অন্য এক ব্যবসায়ী চাঁদু খানের দাবি, ‘‘কাল রাত ৮টার সময় মাইক দিয়ে প্রচার চালানো হয়। বলা হয় সাতটার মধ্যে দোকান সরিয়ে নিতে হবে। সরকারের জমি সরকার ফেরত নেবে। তাতে কিছু বলার নেই। শুধু চেয়েছিলাম একটু সময় দিক। যাতে মালগুলো সরাতে পারি। কিন্তু সেটুকুও সময় দিল না। অন্য অনেক জায়গায় দোকান ভাঙা হল না। সবার দোকান যদি না ভাঙা হয়, তা হলে আমি বাজারের মাঝখানে পাকা দোকান করব। আমার তিন লক্ষের ঋণ আছে। সেগুলো কি সরকার মেটাবে?’’

 রামপুরহাটের মহকুমা শাসক সৌরভ বলেন, ‘‘যেগুলো স্থায়ী নির্মাণ, তাদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। যেগুলো অস্থায়ী নির্মাণ, বাঁশ বা টিনের চাল দিয়ে তৈরি, সেগুলোর জন্য মাইক দিয়ে প্রচার চালানো হয়। আপাতত ওই অস্থায়ী নির্মাণগুলো সরাচ্ছি। স্থায়ী নির্মাণও প্রক্রিয়া মেনে সরানো হবে পরে। অনেকটাই কাজ এগিয়েছে। কোথায় কোথায় আরও বেআইনি দখল রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রামপুরহাটের সঙ্গে তারাপীঠ এবং নলহাটিতেও এই অভিযান চলবে। আমরা আগেও কিছু কাজ করেছি। অনেক বার বলা সত্ত্বেও কেউ নির্মাণ সরাননি। তাই এই পদক্ষেপ।’’


You might also like!