Breaking News
 
Tulu Mondal protection plea: ‘টুলু মণ্ডল যেন ইন্দ্রজিৎ, মেঘের আড়াল থেকে সব দেখছেন’! কোর্টে চাঞ্চল্যকর পর্যবেক্ষণ Jadavpur University violence: ‘যাদবপুরে দেশবিরোধী তৈরি হয়’, ‘ইনশাআল্লা-আজাদি চলবে না’! শর্বরীর হুঙ্কারে পালটা বামনেত্রীর CM Suvendu Adhikari: বন্যায় সবংয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৩২০০ বাড়ি! আকাশপথে পরিস্থিতি দেখে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর Jadavpur University Chaos: যাদবপুরে রাতের সংঘর্ষ অনভিপ্রেত, উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়ে তদন্তের ভাবনা উপাচার্যের Amit Shah: ‘স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমান’, ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে কংগ্রেসকে তীব্র তোপ অমিত শাহের Omar Abdullah : জেন জি-র নামে জওয়ানদের হুমকি? তরুণীর ভিডিও দেখে ক্ষুব্ধ ওমর আবদুল্লা, দিলেন কড়া বার্তা

 

kolkata

2 years ago

Debate started over the ban on pets in Rabindra Sarovar:রবীন্দ্র সরোবরে পোষ্যদের প্রবেশ নিষেধ নিয়ে বিতর্ক শুরু

Debate started over the ban on pets in Rabindra Sarovar
Debate started over the ban on pets in Rabindra Sarovar

 

কলকাতা, ৯ মে: সময়ের সঙ্গে সেই শিথিল হয়েছিল নিয়ম। তবে, ফের রবীন্দ্র সরোবরের গেটের বাইরে ‘পোষ্য নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না রবীন্দ্র সরোবরে’—এই নির্দেশিকা ও নিরাপত্তারক্ষীদের কড়া মনোভাবের জেরে ক্ষুব্ধ পোষ্যপ্রেমীরা। সরোবর রক্ষাকারী কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটিকে বিকল্প প্রস্তাব দিতে চলেছেন তাঁরা।

কাকভোর থেকেই প্রাতঃভ্রমণকারীরা পৌঁছে যান রবীন্দ্র সরোবরে। হাঁটাহাঁটি, ব্যায়াম মাঝে মধ্যে বিশ্রাম। তবে তার মাঝেই ঘটে বিক্ষিপ্ত সমস্যা। হাঁটার পথে যথেচ্ছভাবে রাস্তায় পড়ে থাকে কুকুরের মলমূত্র। দূষিত শহরে শুদ্ধ বাতাস নিতে এসে বিশ্রী গন্ধে নাকপাতা দায় হয়ে উঠেছে। কেউ কেউ আবার খেতে দেন, তার উচ্ছিষ্ট পড়ে থাকে। এইসব নোংরা পরিষ্কার করার দায় এসে পড়ে কেএমডিএ কর্তৃপক্ষের ঘাড়ে।

করোনার আগে বছর পাঁচ বন্ধ ছিল সরোবরে প্রবেশে। ফের শুরু হয়। এবার পোষ্যর বর্জ্যে অতিষ্ঠ হয়ে ফের নির্দেশিকা টাঙাল কেএমডিএ। নিরাপত্তারক্ষীরা সতর্ক। ফলে পোষ্য নিয়ে এলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না ভিতরে। অনেক পোষ্যকে আশপাশের ফুটপাতের রাস্তায় মলমূত্র ত্যাগ করাচ্ছে মালিকরা। লেক রক্ষা করতে গিয়ে আশপাশের এলাকা অপরিচ্ছন্ন হয়ে উঠছে।

কেএমডি-এর এই সিদ্ধান্তে খুশি ভ্রমণকারীদের একাংশ৷ সৌমেন্দ্রমোহন ঘোষের কথায়, দেশের বিভিন্ন শহরে পৌরসভার নিয়ম আছে পোষ্যদের নিয়ে রাস্তায় বের হলে সঙ্গে রাখতে হয় বাধ্যতামূলকভাবে স্কুপ কিট ও জলের বোতল। নাহলে আর্থিক জরিমানা করা হয়। এখানে সেই সব নেই। মলমূত্র ত্যাগ করলে দায়িত্ব মালিকদের নিতে হবে।

তবে পোষ্যপ্রেমীদের এই সিদ্ধান্তে ব্যাপক ক্ষোভপ্রকাশ পেয়েছে। তাদের কথায়, মানুষ প্রাতঃভ্রমণ করতে যান সুস্থ থাকতে। দূষণের শহরে মুক্ত শুদ্ধ বাতাস নিতে। তাহলে পশুদেরও বেঁচে থাকার অধিকার আছে। তারাও শুদ্ধ বাতাস নিতে চায়। ভিতরে পথকুকুর ভর্তি। তারা মলমূত্র ত্যাগ করে সেটা তো আটকানো হচ্ছে না। এরা যদি খোলা জায়গা, মাটি না পায় তাহলে হাঁটতে চলতে তাদের অসুবিধা হয়। তাই এমন সিদ্ধান্ত অমানবিক।

আরও এক পোষ্যপ্রেমীর কথায়,"আমরা কর্তৃপক্ষকে বিকল্প প্রস্তাব দিচ্ছি। দেশের বিভিন্ন শহরে এদের জন্য পার্ক আছে। আমরা সরোবরে একটা নির্দিষ্ট জায়গা দেওয়ার জন্য আবেদন করব। নিজেদের টাকায় সেখানে বনায়ন করব সাজাব। সেখানে মলমূত্র পরিষ্কারের ব্যবস্থা করব। এমনকি পথ কুকুরদের খাওয়ানো, ওষুধ ও টিকাকরণের ব্যবস্থা করব। এই অমানবিক পদক্ষেপ নেওয়া চলবে না। আলোচনা করে বিকল্প প্রস্তাব মেনে নিক।"


You might also like!