Breaking News

 

kolkata

1 hour ago

West Bengal Assembly Election: মমতার চিঠি নিয়ে ‘চুপ’ কমিশন, অভিষেক-চন্দ্রিমাকে সতর্কবার্তা কেন—ব্যাখ্যা জ্ঞানেশের

CEC Gyanesh Kumar
CEC Gyanesh Kumar

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  এসআইআর পর্ব শুরু হওয়ার পর থেকেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, তাঁর লেখা ছয়টি চিঠির একটিরও উত্তর দেননি জ্ঞানেশ কুমার। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমার জানান, এই ধরনের আক্রমণকে তিনি গুরুত্ব দিতে চান না। তাঁর কথায়, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ, এখানে যে যা খুশি তাই বলতে পারে।”

কেন ভোটের মাত্র কয়েকমাস আগে এসআইআর করা হল বাংলায়, তা নিয়ে প্রথম থেকেই সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর পর একাধিক সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি চিঠি লিখেছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। কিন্তু একটি চিঠির উত্তর মেলেনি বলেই অভিযোগ। তা নিয়ে বহুবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে এসআইআরে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দিল্লিতে কমিশনের দপ্তরে যান মমতা ও অভিষেক। সেই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমার দু্র্বব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন। বৈঠক থেকে বেরিয়েই কমিশনারের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ নিয়ে প্রবল বিরক্তি প্রকাশ করেন মমতা।

গতকাল অর্থাৎ সোমবার কলকাতায় কমিশনের ফুলবেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূলের নেতারা। সেখানে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম ও রাজীব কুমার। বৈঠক শেষে বেরিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন চন্দ্রিমা। বলেন, “উনি একাই কথা বলেন। বললেন। কিছুক্ষণ পর ক্ষিপ্ত হয়ে গেলেন। চেঁচাচ্ছেন। বলছেন আপনারা সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। আর কিছু বলার নেই। অন্য জায়গায় সব কিছু ঠিকঠাক হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া অপরাধ নাকি? আমাদের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার অধিকার আছে। আমি একজন মহিলা। আমাকে বলছে ডোন্ট শাউট। আমি বললাম, কীভাবে বলছেন আপনি? তার মানেই বোঝা যাচ্ছে মহিলাদের প্রতি শ্রদ্ধা নেই। তার জন্য মহিলাদের নাম বাদ দিচ্ছেন।” কিন্তু চিঠির মতোই কোনও অভিযোগ নিয়েই কখনও মুখ খোলেননি জ্ঞানেশ কুমার। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এই ইস্যু উঠতেই তিনি বললেন, “ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। সকলের বাক স্বাধীনতা আছে। রাজনৈতিক দল কিছু বলতেই পারে। তা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। আমরা রাজনৈতিক মন্তব্যের উত্তর দিই না।” অর্থাৎ বুঝিয়ে দিলেন এসবকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না তিনি।

You might also like!