Breaking News
 
Mamata Banerjee: ‘বিজেপির লুট ও গণতন্ত্র হত্যা’, আইপ্যাক অফিসে ইডি অভিযানের প্রতিবাদে মিছিলের ডাক মমতার Mamata Banerjee at I-PAC Office: 'মার্ডার অফ ডেমোক্রেসি',সল্টলেকে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশি, বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ মমতার Mamata banerjee: ‘আমাদের ভোটের স্ট্র্যাটেজি ছিনতাই করা হয়েছে’—ইডি হানার মধ্যে I-PAC দপ্তরে তোপ দাগলেন মমতা Mamata Banerjee: তল্লাশির আবহে প্রতীকের বাড়ি থেকে I-PAC, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে তোলা হল গুরুত্বপূর্ণ নথি ED Raid at I-PAC Office: সল্টলেক ও লাউডন স্ট্রিটে ইডির তল্লাশি, কয়লা পাচারের পুরনো মামলায় প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি TMC government initiatives:তিন কর্মসূচিতেই কেল্লাফতে? বিরোধীদের রুখতে নবান্নের হাতিয়ার এখন পরিষেবা আর ‘পাঁচালি’ প্রচারের কড়া নজরদারি

 

Jharkhand

1 year ago

Jharkhand: নির্বাচন লগ্নে টাকার পাহাড় রাঁচিতে! মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়ি থেকে উদ্ধার বিপুল নগদ

Jharkhand (File Picture)
Jharkhand (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ লোকসভা ভোটের মাঝে ফের বিপুল টাকা উদ্ধার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবারের ঘটনাস্থল ঝাড়খণ্ডের রাঁচি। সে রাজ্যের গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়ি থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে সঞ্জীব লাল নামে ওই আপ্ত সহায়ককে। ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় এদিন অভিযান চালায় তদন্তকারী দল। আর্থিক তছরূপ সংক্রান্ত মামলার তদন্তে নেমে ইডি এত অর্থ বাজেয়াপ্ত করল।

ইডি সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২০২৩ সালে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) একটি মামলা শুরু হয়েছিল। গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের অধীনে বেশ কয়েকটি প্রকল্পে টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ ওঠে দপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার বীরেন্দ্র কে রামের বিরুদ্ধে। সে বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে মামলার তদন্ত শুরু করে ইডি (ED)। তাঁর সূত্র ধরেই ঝাড়খণ্ডের গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী আলমগির আলমের আপ্ত সহায়ক সঞ্জীব লালের খোঁজ মেলে। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, আর্থিক তছরূপের পিছনে রয়েছে সঞ্জীব লালও।

আর তার পরই তাঁর ডেরায় অভিযান চালায় ইডির একটি দল। রাশি রাশি টাকা উদ্ধার হয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, সেই টাকার পরিমাণ এখনও পর্যন্ত ২০ কোটি। লোকসভা ভোটের (2024 Lok Sabha Election) মাঝে খোদ মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়ি থেকে এত নগদ উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা যাচ্ছে, ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন মন্ত্রীর সঙ্গে সঞ্জীব লালের মোটা অঙ্কের বেআইনি আর্থিক লেনদেন চলত। তাই বাড়িতে টাকা মজুত করা হচ্ছিল। কিন্তু ভোটের মাঝে এত টাকা উদ্ধারে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি এত নগদ নির্বাচনের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা ছিল? এই ঘটনায় ঝাড়খণ্ডের গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী আলমগির আলমের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে ইডি। তিনিও কি আর্থিক তছরূপের ঘটনায় জড়িত? সন্দেহের উর্ধ্বে ওঠা যাচ্ছে না মোটেও।

You might also like!