
কলকাতা, ৩ জুলাই :c
কলকাতা হাই কোর্টে পঞ্চায়েত ভোটের দফা বৃদ্ধির আর্জি জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক তথা আইএসএফ নেতা নওশাদ। আইএসএফ নেতা নওশাদের যুক্তি ছিল, হয় পঞ্চায়েত ভোটে আদালতের নির্দেশ মতো পর্যাপ্ত বাহিনী আনা হোক। অথবা পঞ্চায়েত ভোটের দফা বৃদ্ধি করা হোক।
আদালতের নির্দেশিত ‘২০১৩ সালের মতো বাহিনী’-র কথা মনে করিয়ে দিয়ে নওশাদ কারণ দেখিয়েছিলেন, রাজ্যে গত দশ বছরে জেলার সংখ্যা বেড়েছে, ভোটার এবং বুথের সংখ্যাও বেড়েছে। তাই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী না দেওয়া হলে ভোটও ২০১৩ সালের মতোই কয়েক দফায় করানো উচিত।
নওশাদ জানিয়েছিলেন, ভোটারদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই তাঁর এই প্রস্তাব। সোমবার অধীরের আইনজীবীও কিছুটা একই কথা বলেছেন। তবে তিনি নিরাপত্তা সংক্রান্ত ‘বিপন্নতা’র বিষয়টি আরও নির্দিষ্ট করে জানিয়েছেন।
সোমবার এই একই বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বহরমপুরের সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। হাই কোর্টে অধীরবাবুর আইনজীবী বেশ কয়েকটি কারণ তুলে ধরে জানিয়েছেন, কেন পঞ্চায়েত ভোটে দফা বৃদ্ধি করা জরুরি। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ মামলাটি শোনা হবে বলেও জানিয়েছে।
তবে নওশাদের মামলার ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের যুক্তি, পঞ্চায়েতের অন্য মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাই এই মামলা খারিজ করে দেয় হাই কোর্ট।
