
উত্তর ২৪ পরগনা, ৭ মে : ভোটের ফলাফলের উত্তাপের মাঝেই মধ্যমগ্রামে গুলি করে খুন করা হলো শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। এই ঘটনায় এলাকায় প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি-তে শুভেন্দুবাবু আসার প্রথম দিন থেকে তাঁর ছায়াসঙ্গী হয়ে উঠেছিলেন চন্দ্রনাথ। সম্পর্কটা দীর্ঘদিনের। শুভেন্দুবাবু যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখনও চন্দ্রনাথ ছিলেন তাঁর সঙ্গী। সেই সময়ে তৃণমূলের হয়ে কাজ করতেন। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। ২০২১-এ বিরোধী দলনেতা হন শুভেন্দু। তখন থেকেই শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক হিসেবে কাজ করছেন চন্দ্রনাথ। তাঁর মা-ও স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন।
ছোট থেকেই মেধাবী ছাত্র ছিলেন। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াশোনা করেছেন। ২০০০ সালে মাধ্যমিক দেন। নজরকাড়া রেজাল্টও করেছিলেন। চন্দ্রনাথকে যাঁরা চেনেন, তাঁরা বলেন, তাঁর মতো দেশভক্ত বিরল। দেশ সেবার টানেই ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলেন। যদিও পূর্ণ সময়ের জন্য নয়, শর্ট টার্ম সার্ভিসে। অবসর নেওয়ার পরে শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে কাজ শুরু করেন। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে গাড়ি ঘিরে ধরে পরপর গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। চন্দ্রনাথ রথ মারা যান। আর একজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মধ্যমগ্রাম চৌমাথার একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়।
