
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: হিল জুতো পরার শখ কমবেশি সকলেরই থাকে। পুজোয় পছন্দের পোশাকের সঙ্গে একজোড়া মানানসই হিল লুককে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়। তবে প্যান্ডেল হপিংয়ের কথা ভেবে অনেকেই হিল পরা এড়িয়ে চলেন। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা, হাঁটতে গিয়ে পায়ে ব্যথা কিংবা ভিড়ের মধ্যে পা মচকে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত। তবে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলে পুজোয় হিল পরেও অনেকটা স্বচ্ছন্দে ঘুরে বেড়ানো সম্ভব।
১. অভিজ্ঞরা বলছেন, বাজারে বিভিন্ন রকমের হিল জুতো পাওয়া যায়। সবসময় এই ধরনের জুতো কেনার সময় দেহের ওজন ও পায়ের আকার বুঝে কেনা উচিত। মাথায় রাখবেন, এই রকমের জুতো যদি পায়ে আঁটসাঁট না হয়ে ঢিলে হয় তাহলে সেক্ষেত্রে পা মচকে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে প্রবল। তাই জুতো কেনার সময় এই বিষয়টি মাথায় রাখবেন অবশ্যই।
২. মাথায় রাখবেন, হিল জুতো পরলে পায়ের পাতা থেকে কাফ মাসল ও গোড়ালির উপর ভীষণভাবে চাপ পড়ে। শুধু তাই নয়, ব্যথা হওয়ার সম্ভবনাও থাকে এক্ষেত্রে প্রবল। তাই অভিজ্ঞরা বলছেন পুজোয় হিল জুতো পড়ে ঠাকুর দেখতে বেরনোর আগে ৫-৭ মিনিট গরম জলে পা ডুবিয়ে রাখতে এবং পা স্ট্রেচ করতে। এতে পায়ে ব্যথা হওয়ার মতো সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।
৩. তবে হ্যাঁ, মাথায় রাখবেন যদি সারারাত পায়ে হেঁটে ঘুরে ঠাকুর দেখার প্ল্যান থাকে তাহলে কিন্তু হিল জুতো না পরাই ভালো। কারণ সেক্ষেত্রে পায়ের নানা সমস্যা বাড়তে পারে। অল্প সময়ের জন্য কোথাও বেরোলে বা সারা দিন বা সারা রাত ঠাকুর দেখার প্ল্যান না থাকলে এই ধরনের জুতো পড়তে পারেন। নচেৎ পায়ের ব্যথায় পুজোয় ঠাকুর দেখার প্ল্যান হবে মাটি।
যদি একান্তই পায়ে কোমরের সমস্যা থাকে এবং চিকিৎসকের নিষেধাজ্ঞা থাকে তাহলে এই জুতো এড়িয়ে চলবেন। কখনই পুজোর মধ্যে শুধুমাত্র হিল জুতো পরতে ভালো লাগে বলে নানা সমস্যার সূত্রপাত ঘটিয়ে পুজোর আনন্দ মাটি করবেন না। প্রয়োজন হলে পায়ের ব্যথা এড়াতে জুতোর মধ্যে, পায়ের নিচে জেল কুশনিং প্যাডও রাখতে পারেন।
