
কলকাতা, ১৭ ফেব্রুয়ারি : গত ৯ বছর ধরে নিয়োগ হয়নি— এই অভিযোগের প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে আপার প্রাইমারি-র সাক্ষাৎকারে বঞ্চিতদের একাংশ ‘মহামিছিল’ করে।
দ্রুত ও স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে এ দিন তাঁরা শিয়ালদা থেকে শহিদ মিনার পর্যন্ত রওনা হন।চাকরিপ্রার্থীদের হাতে ছিল বিভিন্ন দাবি সভ্বলিত পোস্টার, ব্যানার। মিছিলের সঙ্গে, সামনে ছিলেন প্রবীন শিক্ষাবিদ মীরাতুন নাহার। তিনি প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “স্বাস্থ্য, শিক্ষা— সর্বক্ষেত্রে এই অবস্থা। যেভাবে চাকরিপ্রার্থীরা বঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন, সেটাকে নিন্দা করছি, ধিক্কার জানাচ্ছি। যেভাবে চাকরি বিক্রি হচ্ছে, সেটাকেও ধিক্কার জানাচ্ছি।
আগেও তো নানা সময়ে আপনারা পথে নেমেছেন? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সরকারকে ভুল ধরিয়ে দেওয়া, সরকারকে চাপে রাখা আমাদের কাজ। নাগরিকদের এই অবস্থায় যে ভূমিকা যথার্থ হওয়া উচিত, তাই করছি।“
প্রসঙ্গত, প্রাথমিকের মতোই টেটের মাধ্যমে শূন্যপদে নিয়োগ করা হয় উচ্চপ্রাথমিকেও। ২০১৪ সালে টেট পাস করার পরেও কেন সাক্ষাৎকারে ডাক পেলেন না? এই প্রশ্ন তুলে প্রথমে এসএসসিতেই অভিযোগ জানিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী। এরপর মামলা দায়ের করা হাইকোর্ট। আদালতে হলফনামা পেশ করে এসএসসি। কেন? উচ্চ প্রাথমিকে ১৫৮৫ পদে নিয়োগের অনুমতি চাওয়া হয়। হাইকোর্ট সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর, জারি হয় বিজ্ঞপ্তি। আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, তাতেও জট খুলছে না।
