
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরেই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন প্রত্যেক সোমবার ‘জনতার দরবার’ করার কথা। সেই মতোই সোমবার সল্টলেকে বিজেপির পার্টি অফিসে বসেছে জনতার দরবার। তাঁদের মধ্যে কেউ পার্শ্বশিক্ষক। কেউবা নার্স। কেউ আবার গ্রুপ ডি কর্মী। এছাড়া ভোটে হিংসায় আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। এতদিন তাঁরা পুলিশের কাছে অভিযোগ পর্যন্ত জানাতে পারতেন না। সুবিচারের আশায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর কাছে অসহায় পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার সকালে লেকটাউনের শিবমন্দিরে যান তিনি। সেখানে পুজো দেন। মন্দিরে উপস্থিত সকলের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। তারপর বেলা ১১টা নাগাদ সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসা চাকরিহারা সুমন বিশ্বাস বলেন, “আগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরিহারাদের অভাব, অভিযোগের কথা শুনতেন না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা যেত না। শুভেন্দু অধিকারী বরাবর চাকরিহারাদের সঙ্গে ছিলেন। এখনও আমি চিঠি জমা দিয়েছে। উনি গ্রহণ করেছেন। এটা প্রমাণিত হল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে চাইলে দেখা করা যায়। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা চাই আবার স্বচ্ছতা বজায় রেখে নিয়োগ হোক।”এছাড়াও এদিন সস্ত্রীক বৃদ্ধ প্রবীর মুখোপাধ্যায়ও সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘জনতার দরবারে’ যান। তাঁর পৈতৃক ভিটেতে ফ্ল্যাট তৈরির পরেও মাথা গোঁজার ছাদ পাননি বলেই অভিযোগ। অশীতিপর বৃদ্ধের দাবি, জয়দেব কামদারের ছত্রছায়ায় থাকা সোনা পাপ্পুরা তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করে। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে আশ্বাস পেয়ে খুশি বৃদ্ধ। কিছুটা দুশ্চিন্তামুক্ত তিনি। এর আগে গত সোমবারেও ‘জনতার দরবারে’ অভাব অভিযোগ শোনেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, প্রতি সোমবারই সরাসরি জনতার কথা শুনবেন শুভেন্দু। তবে তার আগে রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে।
এদিকে, এদিন বেলা ১২টার পর সল্টলেকের দলীয় কার্যালয় থেকে বেরন তিনি। সেখান থেকে সোজা নবান্নে যাওয়ার কথা। এদিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সব দপ্তরের সচিব এবং পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁর।
