kolkata

3 years ago

Kolkata News : মিড ডে মিল খাতে ৬৩৮ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গকে পাঠাচ্ছে কেন্দ্র

Mid Day Meal
Mid Day Meal

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ   মিড ডে মিল খাতে ৬৩৮ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গকে পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। শনিবার নবান্ন সূত্রে এমনটাই খবর পাওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যে এই বরাদ্দ অর্থ মেটানো নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে রাজ্যে। শুধু মিড-ডে মিল নয়, সমগ্র শিক্ষা অভিযান খাতেও কেন্দ্র টাকা রিলিজ করল রাজ্যকে। নবান্ন সূত্রে খবর, ৫৭৬ কোটি টাকা এই খাতে কেন্দ্র দিল রাজ্যকে। মূলত দুটি ক্ষেত্রেই দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেয়েছে রাজ্য বলেই সূত্রের খবর।

মিড ডে মিল খাতে রাজ্যের পাওনা আটকে রেখেছে কেন্দ্র। বারবার এই অভিযোগ করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। তাঁদের দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আটকানোর দাবি জানিয়ে কেন্দ্রের দরবার করেছে বঙ্গ বিজেপি। তাঁদের মন রাখতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আটকাচ্ছে কেন্দ্র। রাজ্যের বকেয়ার দাবিতে রেড রোডে টানা ৩০ ঘণ্টা ধরনা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মিড ডে মিলের অডিট চলছে। বিভিন্ন প্রকল্প খতিয়ে দেখতে আরও ১০টি দল আসছে রাজ্যে। এই আবহে কেন্দ্রের এই অর্থ মঞ্জুরের বার্তায় খুশি তৃণমূল।

সম্প্রতি মিড-ডে মিল নিয়ে বিরোধীদের তরফে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তোলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, মিড-ডে মিল নিয়ে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় পরিদর্শনকারী দল রাজ্য পরিদর্শন করেছে। মূলত কেন্দ্র - রাজ্য মিলে এই পরিদর্শনকারী দল রাজ্যের একাধিক জেলা পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শনকারী দল দিল্লি ফিরে যেতেই কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের নির্দেশে মিড- ডে মিলের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে সিএজি অডিট করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই অডিটের কাজ শুরু হয়েছে রাজ্যের একাধিক জায়গায় বলেই সূত্রের খবর। তার মাঝেই মিড-ডে মিল খাতে কেন্দ্রর থেকে রাজ্য দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়া যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এরই সঙ্গে সমগ্র শিক্ষা অভিযান খাতেও টাকা পাওয়াকেও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্যেকে বকেয়া মেটানো প্রসঙ্গে তৃণমূলের সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, “রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখেও কোনও খুঁত পায়নি কেন্দ্র। তাই টাকা পাঠাতে বাধ্য হল তারা। বঙ্গ বিজেপি যে মিথ্যা অভিয়োগ করছে, তা প্রমাণিত। এর ফল তারা ভোটবাক্সে পাবে।” পালটা দিয়েছেন বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়, এই রাজ্য পুরোটাই কেন্দ্রের অনুদান নির্ভর। রাজ্য রাজস্ব থেকে আয় করতে ব্যর্থ। কেন্দ্রের পাওনা মেটানোর সঙ্গে এর সঙ্গে বঙ্গ বিজেপির মুখ থুবড়ে পরার কোনও সম্পর্ক নেই।”

You might also like!