
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ সম্প্রতি বিবিসি নরেন্দ্রমোদী গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন গুজরাতে যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয় তার উপর দুটি ভাগে একটি তথ্য চিত্র তৈরী করে, যা নিয়ে বিস্তর চাপানোতর চলে, যার প্রথম পর্বটি দেশে সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে মোদী সরকার।আই ঘটনার প্রভাব পরে বর্হিবিশ্বেও।
এর পরবর্তী সময়ে ৫৯ ঘণ্টা ধরে একটানা আয়কর ‘সমীক্ষা’র পর কেটে গিয়েছে এক সপ্তাহ।এই ঘটনার পর নিজের অবস্তান স্পষ্ট করল ব্রিটেন সরকার। এ প্রসঙ্গে আলোচনায় সরগরম হয়ে উঠল ব্রিটেনের পার্লামেন্ট ভবন।আলোচনার সময় স্পষ্ট করে ঋষি সুনকের সরকার জানিয়ে দিল, সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকীয় স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তা খর্ব হয় এমন কোনও কাজ করা উচিত না।
প্রসঙ্গত, অধিবেশনে টোরি এমপি ডেভিড রুটলি বলেন, ‘‘আমরা বিবিসির পক্ষে দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের অর্থেই বিবিসি চলে। আমরা মনে করি, বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। আমরা চাই, বিবিসির সম্পাদকীয় স্বাধীনতা যেন খর্ব না হয়।’’ তিনি আরো বলেন- ‘‘স্বাধীনতা কথাটি এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবং এই কথাটি আমরা আমাদের বন্ধু ভারতকেও জানাতে চাই।’’
ইংল্যান্ডের প্রথম শিখ এমপি তনমনজিৎ সিং ঢেসি বলেন, ‘‘ইংল্যান্ডে আমরা অত্যন্ত গর্বিত অনুভব করি আমাদের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে। যে ভাবে বিবিসি বা অন্যান্য নামী সংবাদমাধ্যম ইংল্যান্ডের সরকার, তার প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধীদের সমালোচনা করে তার পরেও আমরা এই পথ থেকে সরে আসার কথা ভাবিনি।’’
