
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ 'ক্রিমিয়া' কার ? - ইউক্রেন না রাশিয়ার - এই সংকট অন্তত ৯ বছর ধরে চলছে। এই মুহূর্তে অবশ্য ক্রিমিয়া রুশদের দখলে। সেই ক্রিমিয়ার এক তেলের ডিপোতে ভয়াবহ আগ্নিকান্ড ঘটেছে। রাশিয়ার ধারনা ইউক্রেনের ড্রোন হামলাতেই এই আগুন। ইউক্রেন অবশ্য অস্বীকার করেছে। টেলিগ্রাম বার্তায় মস্কো নিযুক্ত গভর্নর মিখাইল রাজভোঝায়েভ জানান, সেভাস্তাপোলে কাযাচিয়া বে এলাকায় একটি তেলের গুদামে আগুন ধরে গেছে। আগুনের শিখা ১১ হাজার বর্গফুট এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়েছে। প্রাথমিক যে তথ্য আমরা পেয়েছি, তাতে মনে হচ্ছে ড্রোন হামলার কারণেই আগুন ধরেছে। তবে তিনি ড্রোন হামলার কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত দিতে পারেন নি।
শুক্রবার রাশিয়া ক্রমাগত হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে। তারপরেই শনিবার ঘটে এই ঘটনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিওতে সেভাস্তাপোলের এই এলাকার ওপর ধোঁয়া এবং আগুনের কুণ্ড দেখা যাচ্ছে। অগ্নিনির্বাপককর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। সন্দেহের তির থাকলেও এ পর্যন্ত দায়িত্ব স্বীকার করেনি কেউ। শুক্রবার ইউক্রেনের বেশ কিছু শহরে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ২৫ জন নিহত হন। গত কয়েক মাসের মধ্যে এটি ছিল এ ধরনের প্রথম হামলা। সঙ্কটে বিশ্বরাজনীতি। এভাবে দীর্ঘদিন চললে প্রচুর মানুষকে পৃথিবী হারাবে।
এর আগেই রাশিয়া জোর করে ইউক্রেন থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নেয়। রাশিয়া ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করার পর এটি নিজেদের সীমানাভুক্ত করেছিল। কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার যে নৌবহর আছে, তাদের প্রধান ঘাঁটি এই ক্রিমিয়ায়। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ক্রিমিয়া ক্রমাগত হামলার শিকার হয়েছে। শুক্রবার রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অনেক হামলা চালিয়েছিল, তার একটি গিয়ে আঘাত করেছিল মধ্যাঞ্চলীয় শহর উমানের একটি বহুতল আবাসিক ভবনে। সেখানে যে ২৩ জন নিহত হন, তার মধ্যে চারটি শিশু ছিল। এই নির্মম হত্যালীলায় শঙ্কিত বিশ্ব মানবাধিকার কমিশন।
