International

5 hours ago

Law and Order fall in Bangladesh: বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

Law and Order fall in Bangladesh (Symbolic picture)
Law and Order fall in Bangladesh (Symbolic picture)

 

ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি : বাংলাদেশ জুড়ে অপরাধের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ছিনতাই, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণের মতো অপরাধ প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। সংখ্যালঘু সনাতনী হিন্দুদের ওপরও নির্যাতন চলছে অব্যাহতভাবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য সরকারের ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি ঢাকার বনশ্রীতে ২০০ ভরি সোনা লুট হয়েছে, যৌথ বাহিনীর অভিযান চলার মধ্যেও দুষ্কৃতীরা গুলি ছুড়ছে। রাতে কাজ শেষে ঘরে ফেরা মানুষ ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ছে। বাধা দিলেই হামলার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। অপরাধ বাড়ার প্রতিবাদে ঢাবি শিক্ষার্থীরা রাত ১টায় রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগেরও দাবি তুলেছেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে চুরি, ছিনতাই, হত্যা, অপহরণ সবই বেড়েছে। ডিসেম্বরে ৯৬৬টি চুরি-ছিনতাইয়ের মামলা হলেও জানুয়ারিতে তা ১০৫৯টিতে পৌঁছেছে। ডিসেম্বরে হত্যা মামলা হয়েছে ২০৪টি, অপরদিকে জানুয়ারিতে ২৯৪টি। অপহরণের মামলা ডিসেম্বরে ৭৪টি এবং জানুয়ারিতে ১০৫টি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ঘটনা ভুক্তভোগীরা ভয়ে মামলা করছেন না। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে, বনশ্রীসহ কিছু এলাকায় স্থানীয়রা নিজেরাই পালাক্রমে পাহারা বসিয়েছেন। অন্যদিকে, সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে সরকারের নীরবতা জনমনে প্রশ্ন তুলছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনী ‘কম্বাইন্ড অপারেশন’ শুরু করলেও, জনগণের আস্থা ফেরাতে সরকারকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

রাতে কাজ শেষে ঘরে ফেরা ব্যবসায়ী অথবা পথচারীর টাকা ও মূল্যবান জিনিস অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নিচ্ছে ছিনতাইকারীরা। তালা কেটে বাড়িঘর ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সামগ্রী লুটপাট নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাধা পেলেই এলোপাথাড়ি অস্ত্র দিয়ে কোপানো হচ্ছে, বাদ যাচ্ছে না সাধারণ মানুষও, চালানো হচ্ছে গুলি। এতে করে বাংলাদেশের শহর থেকে গ্রামগঞ্জে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হতে বাধ্য। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কম্বাইন্ড অপারেশন শুরু করেছে।

এদিকে চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধে কয়েকটি স্থানে রাতে পাহারা বসিয়েছেন স্থানীয় মানুষ। তারা পালাক্রমে এলাকা পাহারা দিচ্ছেন। জানা গিয়েছে, স্বর্ণ ডাকাতি হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় যুবকদের সমন্বয়ে রাতভর সম্মিলিত পাহারার উদ্যোগ নিয়েছেন বনশ্রী এলাকার বাসিন্দারা। সাধারণ মানুষ বলছেন, সরকার নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায়, তারা নিজেরাই নিজেদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছেন। ব্লকভিত্তিক পালাক্রমে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যদিকে, দেশজুড়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন ধারাবাহিকভাবে চললেও ইউনূস সরকারের এই নীরবতা সাধারণ মানুষের মধ্যে এক গভীর প্রশ্ন চিহ্ন এঁকে দিয়েছে।

You might also like!