
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বিশ্বের 'দাদা'র স্থান কে নেবে - আমেরিকা না চিন? এই প্রশ্নই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে। ঠিক সেই সময় চিন প্রতিরক্ষায় বাজেট বৃদ্ধি করে।
বেইজিং গ্রেট হলে বার্ষিক অধিবেশনের উদ্বোধনের সময় চীনের বিদায়ি প্রধানমন্ত্রী লি কেছিয়াং বলেন, নতুন বছরের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে চীন। চিন আরো জানায়, মহামারি-পরবর্তী সময়ে নিজেদের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে চায় দেশটি।
অধিবেশনে তিন হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করে। পৃথক এক বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীনকে দমন করার এবং ধারণ করার বহিরাগত প্রচেষ্টা বাড়ছে। তিনি আরও বলেন, বেইজিং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিরক্ষার আধুনিকীকরণে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। দেশটির বিশাল সামরিক বাহিনীকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বী বিশ্বমানের বাহিনীতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে। তাইওয়ান ইস্যুতে জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরির মতো ফুঁসছে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক। বেইজিং অঞ্চলটিকে তার নিজস্ব ভূখণ্ড অংশ হিসাবে দেখে। আর সেখানে গায়ে পড়ে নাক গলাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বেইজিংয়ের নিষেধ সত্ত্বেও গণতন্ত্র-সার্বভৌমত্ব রক্ষার নামে উসকানি দিচ্ছে। অস্ত্র বিক্রি করছে। আর এতেই ক্ষেপে বাঘ হয়ে গেছে চীন। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, রোববার নতুন অর্থবছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির ঘোষণা দিল চীন। চিনের এই ঘোষণা বিশ্বের কাছে বেশ শঙ্কর বিষয়। কারণ চিন ও মার্কিন যদি এভাবে অস্ত্র ভান্ডার বাড়ায় তার পরিণাম কিন্তু ভয়াবহ হতে পারে।
