Breaking News
 
বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের Anubrata Mandal: কেষ্টর নিরাপত্তায় রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, এবার সশস্ত্র দেহরক্ষী পেলেন অনুব্রত Humayun Kabir: ‘২০২৯-এর পর দুবাই চলে যাব’, রেজিনগরে হারতেই বড় ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের! WB By-Elections: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির জয়জয়কার, ‘কংগ্রেস মরা দল’ কটাক্ষ শুভেন্দুর, সংখ্যালঘুদেরও ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর President Murmu to meet I.N.D.I.A. bloc leaders: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে একজোট ইন্ডিয়া, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মমতা-রাহুলরা Appointment Letter for an Athlete: খেলার মাঠে সাফল্যের স্বীকৃতি, ৭৮ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরির পথে রাজ্য সরকার

 

International

2 years ago

Bilawal Bhutto and Bilawal Zardari.:পাকিস্তানকে ‘বাঁচাতে’ হাত ধরলেন বিলাওয়াল-শাহবাজ, জোট গড়তে বৈঠক

Bilawal Bhutto and Bilawal Zardari.
Bilawal Bhutto and Bilawal Zardari.

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ জেলবন্দি ইমরান খানের  স্বপ্ন পূরণ হল না আর। পাকিস্তানে সরকার গড়ছেন শাহবাজ শরিফ  ও বিলাওয়াল ভুট্টোর জোট সরকার। রবিবার সরকার গঠনের লক্ষ্যে বৈঠকে বসলেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জ়ারদারি, পিপিপি প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জ়ারদারি এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ। রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে পাকিস্তানকে রক্ষা করতেই দুই দল জোট বাধার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে দুই দলের তরফে।

২৬৫ আসনের পাকিস্তান  ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ১৩৩টি আসন। কিন্তু গণনার শেষে ১০১টি আসন জিতেছে ইমরান খানের দল পিটিআই ও তাদের সমর্থিত নির্দলরা। অন্যদিকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের (Nawaz Sharif) পিএমএল-এন ৭৩টি আসনে জয়লাভ করেছে। বিলাওয়াল ভুট্টোর  দল পিপিপি ৫৪টি আসনে জিতেছে। কিন্তু এই দুই দল জোট বাঁধলেও ৬টি আসন কম পড়ছে। ফলে অন্যান্যদের সঙ্গে জোট বেঁধে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে মরিয়া দুই শিবিরই।

এহেন পরিস্থিতিতে রবিবার বৈঠকে বসেন আসিফ আলি জারদারি  , বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি ও শাহবাজ শরিফ । তিন নেতার বৈঠকের পরে ভুট্টোর দলের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, “দেশের সামগ্রিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে নেতাদের মধ্যে। আগামী দিনে কীভাবে দুই দল একসঙ্গে কাজ করতে পারে, সেই নিয়েও কথা হয়েছে বিশদে। দেশকে স্থিতিশীল অবস্থায় ফেরাতে একত্রিত হয়ে কাজ করতে রাজি দুই দলের নেতৃত্বই।”

এই বিবৃতিতেই উঠে এসেছে পাকিস্তানকে ‘বাঁচানো’র প্রসঙ্গ। বলা হয়েছে, “রাজনৈতিক সংকট থেকে পাকিস্তানকে বাঁচাতে হবে। দলীয় সদস্যদের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে এই প্রসঙ্গে। দেশের অধিকাংশ মানুষ আমাদের আদেশ দিয়েছেন, তাঁদের নিরাশ করব না।” তবে দুই দল জোট বাঁধলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা এখনও অধরাই। ফলে অন্যান্য জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে ভুট্টোর দল। কিন্তু পিপিপি-পিএমএল(এন) জোটকে কারা সমর্থন দেবে, সেটা এখনও অনিশ্চিত।


You might also like!