Breaking News
 
Earthquake: কলকাতায় কম্পন! দুপুরের তিলোত্তমায় ভূকম্পন আতঙ্ক, বহুতল থেকে হুড়মুড়িয়ে নিচে নামলেন বাসিন্দারা Rinku Singh's father: ক্রিকেট বিশ্বে শোকের ছায়া! ক্যানসারের মরণব্যাধি কেড়ে নিল রিঙ্কু সিংয়ের বাবাকে, ভেঙে পড়েছেন তারকা ব্যাটার Amit Shah:‘উল্টো লটকে সোজা করে দেব’, শাহের মেজাজি ভাষণে পাল্টা বিঁধল ঘাসফুল শিবির; শুরু হল অনুপ্রবেশ নিয়ে তীব্র সংঘাত T20 World Cup and metro: রবিবাসরীয় ক্রিকেটের ধামাকা! দর্শকদের ভিড় সামলাতে প্রস্তুত এসপ্ল্যানেড স্টেশন, অতিরিক্ত মেট্রোর সময় এক নজরে Rujira Banerjee: রুজিরার সম্মান রক্ষায় ঢাল কলকাতা হাই কোর্ট! কুৎসিত আক্রমণ ও ব্যক্তিগত মন্তব্যে জারি হল কড়া নিষেধাজ্ঞা Pakistan:কাবুল-কান্দাহারে পাক বায়ুসেনার বিধ্বংসী হামলা! তালিবানকে ‘খোলাখুলি যুদ্ধ’-এর হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

 

International

2 years ago

The Adventures of a China Boy :চিনের ১১ বছরের বালকের দুঃসাহসিক অভিযান

Adventures of an 11-year-old boy in China
Adventures of an 11-year-old boy in China

 

  দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বয়স মাত্র ১১ বছর। সেই বয়সেই ঘটিয়ে ফেললো এক দুঃসাহসিক কাজ চিনের এক বালক। ঘটনাসূত্রে জানা যায়, মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে মুখ ভার করে বাড়িতে বসেছিল ১১ বছরের বালক। মনের কথা কাকে বলবে? তাই মায়ের নামে নালিশ জানাতে দিদার বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল সে। সকাল সকাল তাই নিজের সাইকেল নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল। প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে ১৩০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে দিদার বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছেও গিয়েছিল সে। ফুটপাতে তাকে ক্লান্ত হয়ে বসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশের তৎপরতায় ওই বিস্ময় বালক এই মুহূর্তে পরিবারের কাছে পৌঁছে গেছে ও ভালো আছে। 

 চিনের এক সংবাদ মাধ্যমে জানা গেছে এই সমস্ত ঘটনাটি। ওই সংবাদ সংস্থা জানায়, চিনের মেইজিয়াং শহরের একটি এক্সপ্রেসওয়ে টানেলের সামনে বসেছিল ওই নাবালক। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। নাবালকটি জানায়, রাস্তায় ‘রোড সাইন’ দেখে সে এত দূর সাইকেল চালিয়ে আসে। কয়েক বার ভুল পথে গিয়েও তা বুঝে আবার সঠিক পথ ধরে নেয় সে। রাস্তায় যদি খিদে পেয়ে যায়, তার জন্য বাড়ি থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিল নাবালক। নাগরিক মহল মনে করে ওই নাবালকের এই জেদ ও লক্ষ্যে স্থির থাকার মানসিকতা যদি গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করা যায়,তাহলে ওই বালক একদিন অসাধ্য সাধন করবে।

  ঠান্ডা মাথায় ওই বালক ভেবেছে যে ঐ দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে ওর খিদে পাবে। তাই ও প্রস্তুতি নিয়েই ঘর থেকে বেরিয়েছিল। বাড়ি থেকে নিয়ে এসেছিল পাউরুটি ও জলের বোতল। 

বাড়ি থেকে আনা পাউরুটি আর জল খেয়ে খিদে মেটাচ্ছিল সে। কিন্তু দিদার বাড়ির কাছে এসে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই টানেলের সামনে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিল সে। আর চলার ক্ষমতা ছিল না তার। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে খবর দেয়। নাবালকের মা এবং দিদা দু’জনেই থানায় আসেন। থানায় তার মা বলেন, '' ও আমাকে ঝগড়ার সময় এক বার বলেছিল যে দিদার বাড়ি চলে যাবে। কিন্তু আমি ভেবেছিলাম যে রাগের মাথায় ভুলভাল বলছে। সত্যি সত্যিই যে বেরিয়ে পড়বে তা বুঝতে পারিনি।’’ তবে একটা বিষয় খুবই পরিষ্কার যে ওর দিদা ওকে খুব ভালোবাসতো। শিশুরা ভালোবাসা বোঝে। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনা প্রচারিত হওয়ার পরই ওই বিস্ময় বালক সম্পর্কে অনেক  কথা লেখা হয়। বেশিরভাগ মানুষ ওই বালকের উদ্যমের প্রশংসা করেছেন।

You might also like!