Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

Festival and celebrations

1 year ago

Mahalaya 2025 : মহালয়া কি শুধুই পিতৃপক্ষ? দুর্গাপূজার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে যা বলছে শাস্ত্র

Goddess Durga
Goddess Durga

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে মহালয়া। এটি বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। মহালয়া থেকেই শুরু হয় দেবীপক্ষের। এই দিনেই পিতৃপক্ষের অবসান হয়। চলতি বছর ২১শে সেপ্টেম্বর রবিবার মহালয়া পড়েছে। মহালয়া মানেই একদিকে ভোরে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ, অন্যদিকে রেডিওতে মহিষাসুরমর্দিনী শোনার এক অন্যরকম অনুভূতি। মহালয়ার পর থেকেই আকাশে পেঁজা তুলোর মতো মেঘ দেখা যায় আর মাঠে ঘাটে কাশফুলের মেলা বসে। তবে অনেকেই মনে করেন মহালয়ার দিন থেকেই দুর্গাপূজা শুরু হয়, কিন্তু এই ধারণাটা ভুল। এই দিনে দেবীর আবাহন করা হয় এবং সেই থেকে দুর্গাপূজার সূচনা হয়।

‘মহালয়া’ শব্দটিকে ভাঙলে হয় ‘মহা’ যুক্ত ‘আলয়’—অর্থাৎ মহান যে আশ্রয়। ‘মহালয়’ না বলে শব্দটিকে স্ত্রীলিঙ্গে আমরা ‘মহালয়া’ বলে থাকি। তবে এই মহালয়া ঘিরে রয়েছে নানাবিধ কাহিনি। পুরাণ মতে, মহিষাসুর অমর হয়েছিলেন প্রজাপতি ব্রহ্মার বরে। কোনও দেবতার দ্বারা তাঁর বিনাশ সম্ভব ছিল না। একমাত্র নারীশক্তির কাছেই অসুরের পরাজয় ছিল নিশ্চিত। ফলে অসুরদের অত্যাচারে যখন দেবতারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন, ঠিক তখন ত্রিশক্তি ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর সৃষ্টি করলেন মহামায়ারূপী দেবী দুর্গার। আর তিনিই মহিষাসুরকে বধ করেন। মহালয়া সরাসরি দেবী পূজার অংশ না হলেও এদিন ‘দেবীমাহাত্ম্যম’ পাঠ করে দেবী দুর্গার মহিমা ও মহিষাসুর বধের ঘটনা স্মরণ করা হয়।

তাছাড়া মহালয়ার রয়েছে পৃথক মাহাত্ম্য। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণ প্রতিপদ শুরু হয়ে পরবর্তী অমাবস্যা পর্যন্ত সময়কে পিতৃপক্ষ বলে। পুরাণ মতে, ব্রহ্মার নির্দেশে পিতৃপুরুষরা এই ১৫ দিন মনুষ্যলোকের কাছাকাছি চলে আসেন। এই সময় তাঁদের উদ্দেশ্যে কিছু অর্পণ করা হলে তা সহজেই তাঁদের কাছে পৌঁছয়। তাই গোটা পক্ষকাল ধরে পিতৃপুরুষদের স্মরণের মাধ্যমে তর্পণের রীতি প্রচলিত রয়েছে। আর এই পিতৃপক্ষের মহালগ্ন কাল হল মহালয়া। এটি পিতৃপক্ষের শেষ দিন। পরের দিন শুক্লা প্রতিপদে দেবীপক্ষের সূচনা ঘটে। আর এ দিন থেকে কোজাগরী পূর্ণিমা পর্যন্ত ১৫ দিনই হল দেবীপক্ষ।

আগেকার বাড়ির পুজোয় রথের দিন কাঠামো পুজো হত। সপ্তমীর দিন নবপত্রিকা প্রবেশের পর দেবীর চক্ষুদান পর্ব হত। কিন্তু পরবর্তীকালে মহালয়ার দিনই প্রতিমার চক্ষু আঁকার চল শুরু হয়। তাই, মহালয়ার দিন থেকেই পুজোর প্রকৃত সুচনা বলে মনে করা হয়।

You might also like!