Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

Festival and celebrations

1 year ago

Pitru Paksha 2025: মহাভারত থেকে কীভাবে এলো পিতৃপক্ষ? রইল সেই আশ্চর্য উপাখ্যান

Pitru Paksha 2025
Pitru Paksha 2025

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের প্রতিপদ থেকে অমাবস্যা পর্যন্ত ১৫ দিনকে বলা হয় পিতৃপক্ষ। পুরাণ অনুসারে, এই সময়ে পিতৃপুরুষরা মর্ত্যলোকে নেমে আসেন। তাই এই ১৫ দিন তাঁদের উদ্দেশে যা কিছু উৎসর্গ করা হয়, তা সহজেই তাঁদের কাছে পৌঁছায়। এই কারণে এই সময়জুড়ে পিতৃপুরুষদের স্মরণ করে তর্পণ করার রীতি প্রচলিত। পিতৃপক্ষের এই ১৫ দিনের শেষ দিনটি হলো মহালয়া। মহালয়ার পরের দিন থেকেই শুরু হয় দেবীপক্ষ, যা কোজাগরী পূর্ণিমা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। কিন্তু কীভাবে শুরু হয়েছিল এই পিতৃপক্ষ? চলুন, জেনে নেওয়া যাক সেই কাহিনি।

পিতৃপক্ষের সূচনা নিয়ে ভারি সুন্দর একটি কাহিনি রয়েছে মহাভারতে। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অর্জুনের হাতে মৃত্যু হয়েছিল কর্ণের। অর্জুন অঞ্জলিকাস্ত্র ব্যবহার করে শিরশ্ছেদ করেছিলেন কর্ণের। নিহত হওয়ার পর তিনি গমন করলেন দেবলোকে। স্বর্গরাজ্যে দেবপতি যম কর্ণকে স্বাগত জানিয়ে আমন্ত্রণ করলেন। তাঁকে পাশে এনে বসালেন। এই অসাধারণ যোদ্ধা ও দানবীরকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করলেন দেবরাজ। নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বললেন কিছুক্ষণ। তারপর দেবরাজ হঠাৎ করেই কর্ণের জন্য অন্নের সংস্থানে ব্যস্ত হয়ে উঠলেন। কিছুক্ষণ পর আয়োজন সম্পূর্ণ হলে কর্ণ খেতে বসলেন। কিন্তু খেতে বসে তিনি দেখলেন এ কী? স্বর্ণপাত্রে খাদ্যের পরিবর্তে সোনা, হিরে, মণিমুক্তো প্রভৃতি। কর্ণ অবাক হয়ে দেবরাজকে প্রশ্ন করলেন, খাদ্যবস্তুর পরিবর্তে এগুলি কেন?

দেবরাজ যম হেসে বললেন, হেবীর আপনি তো শ্রেষ্ঠ দানবীর! আপনি জীবনে স্বর্ণ, রত্ন, ঘোড়া, হাতি, সম্পত্তি অকাতরে দান করেছেন সকলকে। এমনকী নিজের কবচ-কুণ্ডলও ইন্দ্রকে দান করেছিলেন। জীবনে কখনও কাউকে প্রত্যাখ্যান করেননি। কিন্তু নিজের জীবদ্দশায় কি কখনও কাউকে অন্নদান করেছেন? এ কথা শুনে কর্ণ গভীর ভাবে অনুতপ্ত হলেন। করুণার বশবর্তী হয়ে যম তাঁকে ভাদ্রপদের অন্ধকার পক্ষকালে ১৫ দিনের জন্য পৃথিবীতে ফিরে আসার অনুমতি দেন। এই পক্ষকাল যাবৎ তিনি পিতৃকুল ও ব্রাহ্মণদের অন্নদান ও তিল-জল তর্পণ করেছিলেন। ভগীরথ তীরে তিনি পিণ্ডদান করেছিলেন পিতৃপুরুষদের শ্রদ্ধা জানিয়ে। সেই পক্ষকাল সময়ই ‘পিতৃপক্ষ’ নামে পরিচিত।

বিশ্বাস করা হয়, কর্ণের মতো আমাদের পিতৃপুরুষেরাও এই পক্ষের সময় অন্ন-তর্পণ এবং পিণ্ড-দানের প্রত্যাশায় তাদের অবস্থান থেকে অবতরণ করেন। ঠিক যেমন কর্ণকে পরলোকে খাদ্য থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল, তেমনই আমাদের পিতৃপুরুষরাও এই পক্ষের সময় আমাদের নৈবেদ্যর উপর নির্ভর করে থাকেন। তাঁদের অন্ন অর্পণ করে তৃপ্ত করতে হয়। কারণ ১ বছরে পিতৃপক্ষের ১ দিন হয়। তাই, প্রতিদিনের খাদ্য হিসেবে এই পক্ষকাল যাবৎ তর্পণ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।


You might also like!