
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ নানা প্রাকৃতিক ও মানুষের নির্বুদ্ধিতার জঙ্গলে শকুনের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃতি ভারসাম্য হারাচ্ছে। এর পরিণাম ভয়ঙ্কর হতে পারে। এমন কী বন্য প্রাণীদের মধ্যে 'মরক' লাগতেও পারে। তাই সচেতন হয়েছে বনদপ্তর।
তাদের উদ্যোগে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গল থেকে মুক্তির স্বাদ পেল ১০ শকুন। সোমবার হোয়াইট ব্যাকড ভালচার প্রজাতির দশ শকুনকে খোলা আকাশে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের রাজাভাতখাওয়া শকুন প্রজনন কেন্দ্র থেকে এই শকুন প্রজনন কেন্দ্রে জন্মানো ও বড় হওয়া দশ শকুনকে এদিন খোলা আকাশে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, গবাদি পশুদের নানা রোগের কারণে এমন সব ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে, যার ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়ছে শকুনের জীবনে। সেই মৃত পশুর মাংস খেয়ে শকুনেরা নানাভাবে সংক্রমিত হচ্ছে। তাই শকুনের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। সেই কারণেই বনদপ্তরের এই উদ্যোগ।
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া ওই দশ শকুনের বয়স প্রায় দুই বছর। উল্লেখ্য ডিম ফুটে শকুনের বাচ্চা হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই তা খোলা আকাশে উড়তে সম্পূর্নভাবে সমর্থ্য হয়ে ওঠে। সেই কারণে ছয় মাস থেকে ২ বছর বয়সের শকুনদের খোলা আকাশে ছেড়ে দেওয়ার জন্য আদর্শ সময়। একদিকে করোনা কালের কিছু সমস্যা ও আরেকদিকে যেহেতু ওই শকুনদের দেহে স্যাটেলাইট ট্যাগ লাগিয়ে ছাড়া হবে,তাই কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন দরকার। সেই সমস্ত কাজ শেষ করে অবশেষে ছাড়া হলো শকুন। এর আগেও দুই দফায় ১৪ টি শকুন খোলা আকাশে ছেড়ে ছিল রাজাভাতখাওয়া শকুন প্রজনন কতৃপক্ষ। সেই সব শকুনগুলো এখনো নিয়মিত নজরদারিতে রয়েছে। সব গুলোই খুব ভালো অবস্থায় পরিবেশে রয়েছে বলে জানিয়েছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প কতৃপক্ষ।
