
বুয়েনস আইরেস, ২৯ অক্টোবর: ফুটবলের কিংবদন্তি তিনি। ফুটবলের ঈশ্বর নামেও পরিচিত। বলছিলাম দিয়েগো মারাদোনার কথা। ১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোবর তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেস প্রদেশের লানুস শহরের এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাবা-মায়ের তিন কন্যা সন্তানের পর জন্ম হওয়া ম্যারাডোনা বেড়ে ওঠেন ভিয়া ফিওরিতোতে। শৈশবেই তিনি ফুটবলের প্রেমে পড়েন।
মাত্র আট বছর বয়সে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের যুব দলে যোগদান করেন। পায়ের জাদুকরি নৈপুণ্যে ফুটবল বিশ্বে তার নজর কাড়তে বেশি সময় লাগেনি। মাত্র ২১ বছর বয়সেই বোকা জুনিয়র্সকে আর্জেন্টাইন লিগ জিতিয়ে বার্সেলোনায় নাম লেখান তিনি।
আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে তার অভিষেক ১৯৭৭ সালে। ১৯৮৬ সালে মাত্র ২৫ বছর বয়সে অনেকটা একক প্রচেষ্টায় আর্জেন্টিনাকে স্বপ্নের বিশ্বকাপ জেতান ফুটবলরের এই মহা তারকা। বিশ্বকাপের ওই আসরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা তার একটি গোলকে 'হ্যান্ড অব গড গোল' এবং আরেকটিকে 'শতাব্দীর সেরা গোল' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
এর পরের বিশ্বকাপে অর্থাৎ ১৯৯০ বিশ্বকাপেও আর্জেটিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন এই কিংবদন্তি। রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে তার সেবার বিশ্ব কাপ জেতা হয়নি। ডোপ টেস্টে পজেটিভ হলে ১৫ মাসের নিষেধাজ্ঞা নেমে আসে তার ওপর। এরপর চোখ ধাঁধানো মুহূর্ত উপহার দেওয়া এ আর্জেন্টাইনের ক্যারিয়ারের ভালো মুহূর্তগুলো ১৯৯৪ বিশ্বকাপেই শেষ হয়ে যায়। ফুটবলকে বিদায় জানানোর আগে ২১ বছরের ক্যারিয়ারে ৬৭৯ ম্যাচে তিনি ৩৪৬ গোল করেছেন।
খেলোয়াড় জীবনে কোচ] হিসেবে আর্জেন্টিনা দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। তবে কোচিংয়ে ততটা সফল হতে পারেননি এই জাদুকর। ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর না ফেরার দেশে চলে গেছেন বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তি তারকা আর্জেন্টিনার ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা। আজ বেঁচে থাকলে তিনি ৬৩ বছরে পা দিতেন।
