
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে ভয় দিনযাপন করছেন সাধারণ মানুষ। ইতিমধ্যেই একাধিক মহলে হয়ে গিয়েছে ডেঙ্গি সংক্রান্ত বৈঠক। গত শনিবারই জেলাশাসক, সিএমওএইচদের নিয়ে নবান্নে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যসচিব ও স্বাস্থ্যসচিব। বৈঠক চলাকালীন ফোন করে মুখ্যমন্ত্রী খোদ পুজোর আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। একাধিক এলাকায় ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে আবর্জনা পরিষ্কার করা হচ্ছে। নোংরা কিংবা জমা জল ডেঙ্গির আঁতুড়ঘর। তাই সতর্কতার বার্তা দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন ইমন চক্রবর্তী।
গায়িকা ইমন চক্রবর্তী বর্তমানে কলকাতায় থাকেন, কিন্তু লিলুয়ার বাড়িতে থাকেন তাঁর বাবা। তাই প্রয়োজনে তাঁকে তিন চার বার লিলুয়ায় যাতায়াত করতেই হয়। কিন্তু সেই বাড়ির পাশেই আবর্জনা স্তূপ। তা দেখে পৌরসভার প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিলেন ইমন।
গায়িকা ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন “আমার বাড়ির ঠিক সামনেটা, মানে আমার লিলুয়ার বাড়ির সামনে অটোস্ট্যান্ড রয়েছে একটা। সেটা একটা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ১০০ বার বলে বলেও ঠিক হচ্ছে না। লজ্জাজনক! যাঁরা দায়িত্ব নিয়েছেন অথচ পালন করছেন না। লজ্জা হওয়া উচিত! ছিঃ! বালি পুরসভা নির্লজ্জ। লিলুয়ার বাসিন্দাদের যাঁরা এই রাস্তা দিয়ে নিত্যদিন যাতায়াত করো, তাঁরা দয়া করে শেয়ার করো। যাতে খবরটা আরও ছড়ায়। যদিও তাতে আদৌ কোনও লাভ হবে কিনা জানি না। ছিঃ ছিঃ!”
সংবাদ মাধ্যমকে ইমন জানিয়েছেন, “আমি এখন কলকাতায় থাকি। কিন্তু আমার বাবা থাকেন লিলুয়াতে। তাই সপ্তাহে তিন-চার বার এখানে আমার যাতায়াত করাই হয়। আগেও এমনটা দেখে প্রতিবাদ করেছিলাম। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। বালির বিধায়ক রানা চট্টোপাধ্যায়কে এই সমস্যার কথা জানিয়েছিলাম। কিন্তু সেই সমস্যা রয়েই গিয়েছে। তাই মদন মিত্রর সঙ্গে কথাও বলেছি।”
এর পাশাপাশি আবর্জনাস্তূপের ছবি সমাজ মাধ্যমে শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, “ছবি ও ভিডিও দিলাম। বালি পুরসভার লজ্জা বলে শব্দটা আসুক জীবনে। এবং যারা এখানে ময়লা ফেলেন তাঁদেরও।”
