Life Style News

1 hour ago

Child Mental Health: প্রিয়জন হারিয়ে দিশাহারা খুদে মন, কীভাবে সামলাবেন এই সময়? জানুন বিস্তারিত

Child Loss Emotion
Child Loss Emotion

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  জন্ম-মৃত্যু জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ—এ কথা আমরা জানি, কিন্তু প্রিয়জনের মৃত্যু মেনে নেওয়া সহজ নয়, বিশেষত যখন তা ঘটে শিশু বা কিশোর বয়সে। এই বয়সে মানসিকভাবে তারা এখনও গড়ে উঠছে, ফলে হঠাৎ এমন শোকের ধাক্কা তাদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। অনেক ক্ষেত্রেই এই আঘাত থেকে জন্ম নিতে পারে একাকীত্ব, ভয়, অনিশ্চয়তা এমনকি মানসিক অবসাদও। চলুন জেনে নেওয়া যাক  এই সময়ে কীভাবে তাকে সামলাবেন।

* খুদে সন্তান প্রিয়জনের মৃত্যুর কথা বলুন ভেবেচিন্তে। বেশি সময় নষ্ট করবেন না। সরাসরি বলুন কী ঘটেছে।

* তার পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার দিকে নজর দিন। খুদে কান্নাকাটি করতে পারে। তাকে বাধা দেবেন না। মন হালকা হলে সে কান্নাকাটি করুক। তারপর তাকে বুকে জড়িয়ে ধরুন। তাতে হয়তো শান্ত হবে সে।

* আবার কোনও খুদে দুঃখে পাথর হয়ে যায়। কান্নাকাটি তো দূর, কোনওরকম প্রতিক্রিয়াই দেয়না। তাকে বলুন কথা বলতে। একা খুদেকে গুমরে থাকতে দেবেন না।

* খুদেরা সময়মতো আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তাই কোনও ভাবনাচিন্তা না করেই আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এই সময় তাই খুদে নানা অদ্ভুত আচরণ করতে পারে। ভুলেও তাতে অধৈর্য্য হয়ে যাবেন না। তাকে ঠান্ডা মাথায় বুঝিয়ে শুনিয়ে শান্ত করুন।

* প্রিয়জনের মৃত্যুর পর জীবনে নানা বদল আসার কথা ভেবে অনেক সময় খুদেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। তাই সে অস্থির হয়ে যায়। তাকে শান্ত করুন। বুঝিয়ে বলুন পরিবর্তন জীবনে আসবেই। সেই বদলগুলোর সঙ্গে কীভাবে খাপ খাওয়ানো সম্ভব, তা বোঝান।

* পরিবারের সদস্যের মৃত্যু মানে বাড়ির পরিবেশে কিছুটা পরিবর্তন হবে। বাড়িতে লোকজনের আনাগোনা বাড়বে। শেষকৃত্য হবে। হয়তো প্রথমবার কাছ থেকে কোনও দেহ দেখবে সে। তাই তাকে বুঝিয়ে বলুন, একটি মৃত্যু ঘিরে ঠিক কী কী পারিপার্শ্বিক ঘটনা ঘটতে পারে।

* যত যাই হোক, আপনি যে সবসময় তার পাশে আছেন, তা বুঝিয়ে বলুন। তাতে খুদে মনের জোর পাবে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে না।

* প্রিয়জন হারানোর যন্ত্রণা হয়তো কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে আপনাকেও। তবু তার সামনে যতটা সম্ভব শান্ত থাকুন। নিজেকে শক্ত রাখুন। খুদের মুখ চেয়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন।

ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং ধৈর্য—এই তিনটিই পারে একটি শিশুকে শোকের অন্ধকার থেকে ধীরে ধীরে আলোয় ফিরিয়ে আনতে। তাই পরিবারের দায়িত্ব এই সময় আরও বেড়ে যায়—কারণ সঠিক যত্নই পারে একটি কোমল মনকে বড় রকমের বিষন্নতা থেকে রক্ষা করতে।  

You might also like!