
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: প্রশ্নপত্র নিয়ে বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না কেন্দ্রীয় স্তরের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলির। নিট-ইউজি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের পর পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এরপর ইউজিসি-নেট পরীক্ষাতেও ভুল প্রশ্ন ও একাধিক অসঙ্গতি নিয়ে বিতর্কের জেরে তিনটি বিষয়ে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। এবার সেই তালিকায় নাম জড়াল ইউপিএসসিরও। চলতি বছরের সিভিল সার্ভিস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জেনারেল স্টাডিজ পেপার ওয়ানে আটটি প্রশ্নে ভুল বা ত্রুটি থাকার অভিযোগ তুলেছেন একদল পরীক্ষার্থী। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন। মামলাটি শুনানির পর নয়াদিল্লি বেঞ্চ ইউপিএসসিকে অফিসিয়াল নোটিস পাঠিয়েছে এবং অভিযোগের বিষয়ে জবাব চেয়েছে।
প্রার্থীরা জেনারেল স্টাডিজ পেপার ওয়ানের ৮টি প্রশ্ন ও প্রভিশনাল অ্যানসার নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। পরীক্ষার্থীদের দাবি, কিছু প্রশ্নের উত্তর ভুল দেওয়া হয়েছে এবং কিছু প্রশ্নে কোনও সঠিক বিকল্প ছিল না। কিছু প্রশ্ন নির্ধারিত সিলেবাসের বাইরে থেকে এসেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। নেগেটিভমার্কিং-সহ প্রায় ১৬ নম্বরের ভাগ্য এই ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নগুলির ওপর নির্ভর করছে। ২০২৬ সালের প্রিলিমসে অংশগ্রহণকারী শচীন তিওয়ারি ও আরও দু’জন জেনারেল স্টাডিজ পেপার-১, সেট ‘এ’-এর ৭, ১১, ৪৫, ৬০, ৬২, ৮২, ৮৬ এবং ৯৬ নম্বর প্রশ্নকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁদের দাবি, নির্ধারিত সময়ে ইউপিএসসি পোর্টালের মাধ্যমে আপত্তি জানালেও কোনও জবাব পাননি।
এর জেরেই একদল পরীক্ষার্থী সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের (ক্যাট) দ্বারস্থ হন। তাঁদের আর্জি ছিল, প্রশ্নের উত্তরগুলি ভুল প্রমাণিত হলে উত্তরপত্র সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হোক ইউপিএসসিকে। এই ঘটনাতেই ক্যাটের তরফে এখনও কোনও নির্দেশ না দেওয়া হলেও নোটিস পাঠানো হল ইউপিএসসিকে। আগামী ৮ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
