
নয়াদিল্লি, ১১ আগস্ট: অশোভনীয় আচরণের জন্য সাসপেন্ড হয়েছেন কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। অধীরের সাসপেন্ড হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
লোকসভায় কংগ্রেসের চিফ হুইপ কে সুরেশ বলেছেন, "তিনি গত চার বছর ধরে লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা ছিলেন। তিনি হাউসে প্রচুর বক্তৃতা দিয়েছেন। তাঁরা গতকালই তাঁর অসদাচরণ খুঁজে পেয়েছেন। এটা রাজনৈতিকভাবে করা হয়েছে। সাসপেনশনের মাধ্যমে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে হত্যা করা হয়েছে।" কংগ্রেস নেতা মনীশ তিওয়ারি বলেছেন, "সংবিধানের ১০৫(১) ধারা অনুযায়ী, সংসদে প্রত্যেক সংসদ সদস্যের বাক স্বাধীনতা রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনও সংসদ সদস্যকে এভাবে বরখাস্ত করা হলে তা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।"
জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্স সাংসদ ফারুক আব্দুল্লাহ বলেছেন, "একজন ভালো সদস্যকে সাসপেন্ড করা দুঃখজনক।"
অন্যদিকে, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেছেন, তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি তা করেননি। তাই অধ্যক্ষ তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেন। আবার বিজেপি সাংসদ রমেশ বিধুরী বলেছেন, "সংসদে উচ্চপদে থাকা নেতাদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করা ঠিক নয়। ক্ষমা না চাওয়া, অবিরাম সতর্ক করার পরে তা চালিয়ে ঠিক নয়। সরকার আসবে এবং যাবে, কিন্তু ভারতের সংবিধান থাকবে। দেশের মর্যাদা, এবং অন্য নাগরিকের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাই গণতান্ত্রিক দেশের পরিচয়।"
