দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বুধবার অযোধ্যা থেকে প্রথম বিমান উড়ে এল কলকাতায়। ঘটনাচক্রে রামের শহর আর বাংলার এই মেলবন্ধনের শুরুটা হল হিন্দুত্বের পোস্টার বয় যোগী আদিত্যনাথের হাত ধরে।
আগামী ২২ জানুয়ারি রামমন্দির উদ্বোধন। তার আগেই অযোধ্যার ‘মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ থেকে দেশের বিভিন্ন শহরের বিমান পরিষেবা শুরু করছে কেন্দ্র। দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, আহমেদাবাদ, গোয়া থেকে অযোধ্যার পরিষেবা শুরু হচ্ছে। এর মধ্যে বুধবার কলকাতা এবং বেঙ্গালুরুর সরাসরি বিমান পরিষেবা শুরু হল।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাংলায় যে বিমানটি অযোধ্যা থেকে উড়ে এল। তার সঙ্গে দূর দূর তক কোনও সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও জড়িয়ে গেলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অযোধ্যা থেকে কলকাতাগামী প্রথম বিমানের প্রথম বোর্ডিং পাসটিই তুলে দেওয়া হল উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে। দিল্লি থেকে সবুজ ঝান্ডা নেড়ে বেঙ্গালুরু-অযোধ্যা বিমানের সূচনা করেন অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। আগে অযোধ্যায় যেতে ভরসা ছিল দুটি মাত্র ট্রেন। তাতেও লাগত প্রায় দেড়দিন। এবার মাত্র দেড় ঘণ্টায় পৌঁছানো যাবে অযোধ্যা ধামে।
যোগীর এদিনের বিমান পরিষেবা চালুর অনুষ্ঠানে থাকার কথা নয়। দেশের অন্য প্রান্তে যে বিমান পরিষেবাগুলি চালু হয়েছে, সেখানেও যোগী ছিলেন না। অথচ কলকাতাগামী বিমানের বোর্ডিং পাস দেওয়া হল যোগীর হাতেই। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা হিন্দুত্বের ‘পোস্টারবয়’ আদিত্যনাথ বাঙালি তীর্থযাত্রীদের আহ্বান জানালেন অযোধ্যায়। আসল এই সবটাই মন্দির রাজনীতির অংশ। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, উত্তর ভারতে যেভাবে মন্দির হাওয়া তৈরি করা গিয়েছে, সেটা বাংলায় এখনও তৈরি করা যায়নি। তাই বিজেপি মরিয়া। সেকারণেই বাংলার কর্মসূচিতে যোগীকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
