
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:প্রথম দফার ভোটে রক্তাক্ত বীরভূমের লাভপুর। মাথা ফাটল বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ওঝার এজেন্টের। আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীর এজেন্ট বিশ্বজিৎ মণ্ডল।
আক্রান্ত বিশ্বজিৎ মণ্ডল। তিনি বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক তথা লাভপুরের বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ওঝার নির্বাচনী এজেন্ট। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রার্থীর ছেলে দেবরূপ ওঝা-সহ তিনজন। বিজেপির আক্রান্ত নির্বাচনী এজেন্ট বলেন, “আমার ছেলেরা অভিযোগ করল বুথ দখলের। বুথ দেখে ফিরছিলাম। আমরা ছিলাম ৩ জন। বুথ থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে আমাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। বেধড়ক মারধর করা হয়। ইট মারল মাথায়। মাথাটা ফেটে গেল। কাচ এখনও আমার পকেটে রয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে। বর্তমানে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি বিশ্বজিৎ। বাকিদের তৃণমূল নেতৃত্ব তুলে নিয়ে গিয়েছে বলেই দাবি বিজেপির নির্বাচনী এজেন্টের। যদিও শাসক শিবির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
লাভপুর ছাড়াও দক্ষিণ দিনাজপুরে কুমারগঞ্জেও অশান্তির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেখানে বিজেপি প্রার্থীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া মুর্শিদাবাদের নওদা এবং ডোমকলেও মৃদু অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। সেখানে দফায় দফায় আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে শাসক শিবির তৃণমূল অশান্তিতে জড়িয়ে পড়ে। অবস্থান বিক্ষোভ করেন হুমায়ুন কবীর। এছাড়া অবশ্য এখনও পর্যন্ত তেমন বড় কোনও অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। ছাব্বিশের ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করাই মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচন কমিশনের। বারবার জ্ঞানেশ কুমার এবং সিইও মনোজকুমার আগরওয়ালের মুখে সে কথা শোনা গিয়েছে। ভোটমুখী বঙ্গকে শান্ত রাখতে একাধিক নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে কমিশনও। এখনও পর্যন্ত ভোটের হার বেশ নজিরবিহীন। বিক্ষিপ্ত অশান্তি খবর আসলেও, সবমিলিয়ে মোটের উপর প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণ বলাই চলে।
