দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ‘ছোটা কাশী’ নামেই পরিচিত হিমাচল প্রদেশের মান্ডি। আর এখান থেকেই চলছিল হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখুর নির্বাচনী জনসভা৷ মঞ্চে সুখুর পাশেই দাঁড়িয়ে মান্ডি লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী ও রাজ্যের মন্ত্রী বিক্রমাদিত্য সিং৷ হিমাচলের রাজা ও ৬ বারের মুখ্যমন্ত্রী প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রয়াত বীরভদ্র সিং-এর ছেলে বিক্রমাদিত্যর কাঁধে হাত রেখে সুখু জনতাকে বলছেন, ‘কঙ্গনা রনৌত বড় হিরোইন৷ কিন্ত্ত উনি ভুলে যাচ্ছেন বলিউডি ফিল্ম আর রাজনীতি দুটো এক নয়৷ রাজনীতিতে অভিনয় করলে জনতা ছেড়ে কথা বলবে না৷ আমার ভাই বিক্রমাদিত্য রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য, এখানকার ভূমিপুত্র৷ উনি কোনওদিন রাজনীতিতে অভিনয় করেননি, চাইলে উনিও মুম্বইয়ের সুপার হিরো হতে পারতেন।’
তবে এই প্রসঙ্গ কেন? কারণ এই মান্ডি থেকেই বিজেপির প্রার্থী কঙ্গনা। তাঁর আদি বাড়ি মান্ডি লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভাম্বলা গ্রামে৷ তাঁর বাবা অমরদীপ ও মা আশা থাকেন ওখানেই। তা সত্ত্বেও কংগ্রেস কঙ্গনার গায়ে ‘বহিরাগত’ ট্যাগ লাগানোর কোনও সুযোগ হাতছাড়া করছে না। এর মূলে কঙ্গনার ফিল্মি কেরিয়ার, ক্যারিশমা, মুম্বইয়ের স্টারডম৷ এই জন্যই মান্ডির ‘গাঁও কি বেটি’ হওয়ার পরেও তাঁর গায়ে সেঁটে আছে ‘মু্ম্বইওয়ালি ফিল্মইস্টার’ তকমা৷
সে কথা অবশ্য অভিনেত্রী-প্রার্থী নিজেও জানেন। তাই চেষ্টা করছেন নিজেকে ‘ঘরের মেয়ে’ বা সাধারণ মানুষেরই কেউ হিসেবে তুলে ধরতে। সম্প্রতি কঙ্গনার একটি সভা ছিল মানালি বাসস্ট্যান্ডের কাছে। হাজার পাঁচেকের সেই সমাবেশে কঙ্গনার দাবি, ‘বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসকে বেছে নিয়ে যে ভুল করেছে হিমাচল, লোকসভা ভোটে তা শুধরে নিতে হবে৷ আমি আপনাদেরই পরিবারের সদস্য, মানালিতে আমি বাড়ি করেছি, রেস্তরাঁ করেছি৷ আমি আপনাদের সঙ্গেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাকি জীবনটা!’