
মালিগাঁও, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৩:ভারতীয় রেল বিশ্বের বৃহত্তম গ্রিন রেলওয়েতে পরিণত হওয়ার দিকে সম্পূর্ণরূপেই অগ্রসর হচ্ছে। জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে বিদ্যুতায়নের ৮৫% আরকেএম কাজ যথারীতি সম্পন্ন হয়েছে। সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়নের প্রয়াসে, আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে শিলিগুড়ি জং- নিউ মাল জং ((৪৩.৮০আরকেএম/৬১ টিকেএম) সিঙ্গেল লাইন সেকশন এবং কাটিহার ডিভিশনে বাগডোগরা হয়ে শিলিগুড়ি জং.আলুয়াবাড়ি রোড (৭৪.১৭ আরকেএম/৮৮.৩২ টিকেএম) সিঙ্গেল লাইন সেকশনে সম্পূর্ণ সেকশন্যাল গতিতে (প্রতি ঘন্টা ১০০ কি.মি.) গতির ট্রায়ালের পর রেলওয়ে বিদ্যুতায়নের কাজের পরিদর্শন যথাক্রমে ২৯ এবং ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩ তারিখে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এছাড়াও, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩-এ লামডিং ডিভিশনের হয়বরগাঁও - মৈরাবাড়ি (৪৩.৮০ আরকেএম/৪৪.৯২ টিকেএম) সেকশনে রেলওয়ে বিদ্যুতায়ন কাজের পরিদর্শন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সেকশনটি চালু হওয়ার পর, বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনযুক্ত ট্রেনগুলি গুয়াহাটি থেকে হয়বরগাঁও - মৈরাবাড়ি সেকশন এবং শিলঘাট শহরে সরাসরি চলাচল করতে সক্ষম হবে, যা গড় গতি বাড়াবে। শিলঘাট থেকে কলকাতা, চেন্নাই ইত্যাদি বিভিন্ন গন্তব্যস্থানের ট্রেনগুলির ইঞ্জিন পরিবর্তন না করেই চালানো যাবে।
শিলিগুড়ি জং - নিউ মাল জং. সেকশনের মধ্যে পাঁচটি স্টেশন এবং বাগডোগরা হয়ে শিলিগুড়ি জং আলুয়াবাড়ি রোড জং. সেকশনের মধ্যে দশটি স্টেশন রয়েছে। অনেক দূরপাল্লার ট্রেনসমূহ এই সেকশনগুলির মধ্যে দিয়েই চলাচল করে থাকে। বিদ্যুতায়নের কাজ শেষ হওয়ার পর ট্রেনগুলি নিজের সময়ানুবর্তিতা ক্ষতি না করে সম্পূর্ণ গতিতে এই সেকশনগুলির মধ্য দিয়ে চলাচল করবে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে আরও অধিক যাত্রী ও মালবাহী ট্রেন চলাচল করতে সক্ষম হবে।
উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়েতে বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের কাজ পূর্ণগতিতে চলছে। বিদ্যুতায়নের ফলে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়েতে ট্রেনের গতিশীলতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে রেল নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করবে। দূষণ হ্রাসের পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বিদ্যুতে স্থানান্তরের জন্য রেলওয়ের দক্ষতা উন্নত হবে। এটি নির্বিঘ্ন ট্র্যাফিককে সহজতর করবে এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে যাতায়াত করা ট্রেনগুলির সময়ও অনেক লাঘব করবে।
