Country

2 years ago

Haunted Places In India: বর্ষার মরশুমে রইল শিহরণ জাগানো কিছু ভৌতিক স্থানের সন্ধান

Haunted House (Symbolic Picture)
Haunted House (Symbolic Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারত হল ভৌতিক আলোচনার কেন্দ্রভূমি। এদেশের মাটিতে যেমন আধ্যাত্মিক স্থান রয়েছে এবং তাঁদের নিয়ে আলোচনার জায়গা রয়েছে, ঠিক অপরদিকে ভৌতিক বা সুপারন্যাচরাল কিছু স্থান ও সেবিষয় আলোচনারও ঘাটতি কিছু কম নয়। আবার অনেক মানুষ ঐশ্বরিক দর্শনের পাশাপাশি ভৌতিক তত্ব নিয়ে আলোচনা ও নাড়াঘাঁটা করে থাকেন। 

ভারতের মানুষেরা বিশ্বাস করেন যে মানুষের মৃত্যুর পর আদ্যশ্রাদ্ধের মধ্য দিয়ে আত্মার শান্তিকামনা করে থাকেন। আমাদের আজও বিশ্বাস এই  ক্রিয়ার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তিটি পরলোকে শান্তিতে গমন করে থাকেন। 

ছোটবেলা থেকেই ভারতীয় ছেলেমেয়েরা তাঁদের বাড়ির বড় ব্যক্তির কাছ থেকে নানান ভৌতিক গল্প শুনে বড় হয়ে থাকে। এবার আপনি যদি বাঙালি হন তাহলে সেক্ষেত্রে ভৌতিক গল্পের বইতো আপনি পড়েই থাকবেন। এছাড়া নানান ভৌতিক ছবিও বারবার আমাদের মনে সেই ভৌতিক অস্ত্বিতের ছবি কল্পনা করিয়েছে। আবার ভারতবর্ষ জুড়ে নানান ধর্মীয় স্থানের সমাহার। সেখানে নানান ধার্মিক মানুষেরা আধ্যাত্মবাদের নেশায় বুঁদ হয়ে ছুটে যান, পূজার্চনা করেন। আবার এই ভারতের মাটিতেই এমন কিছু হাড়হিম করা ভৌতিক স্থান রয়েছে যা মানুষের মনে একটা হালকা শিহরণ জাগিয়ে তোলে। সেই সমস্ত ভৌতিক কিছু জায়গারই সন্ধান দিতে আজ হাজির হল আমাদের সংস্থা। 

এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, সেগুলি কি কি? 

১) ভানগড় দুর্গ


ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত একটি দুর্গ যেটি ভারতের রাজস্থান রাজ্যে অবস্থিত। ভগবন্ত দাস তার ছোটো ছেলে মধু সিংহের জন্য এই দুর্গটিকে নির্মাণ করিয়েছিলেন। বলার অপেক্ষা রাখেনা এই দুর্গ একটি ভৌতিক স্থান বলে মানুষ মনে করে থাকেন। এই দুর্গ সম্পর্কে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা নানান মত ও সতর্কবাণী দিয়েছেন। বলা হয় পর্যটকদের সূর্যাস্তের পরে এই স্থানে যাওয়া নিষিদ্ধ। 

২) ব্রিজ রাজভবন, কোটা 


১৯ শতকের প্রথমদিকে নির্মিত হয়েছিল ব্রিজ রাজভবন। ১৯৮০ সালে এটি একটি হেরিটেজ হাউসে পরিণত হয়। তবে জানা যায় এই জায়গাটি মেজর বার্টনের নিরীহ ভূতের বসবাসের জায়গা। কথিত আছে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সময় মেজর ভারতীয় সিপাহীদের হাতে নিহত হন। তবে এখানে ভুতেদের সম্পর্কে একটি হাস্যকৌতুক রয়েছে, শোনা যায় এখানে যে ভৌতিক আত্মা ঘোরাঘুরি করেন, তিনি নাকি কর্মরত গার্ডদের চড় মারেন। 

৩) ডুমাস ব্ল্যাক স্যান্ড বীচ, সুরাট 


এটি পূর্বে একটি কবরস্থান ছিল এবং তাঁর থেকেই এর ভৌতিক দিকটি উন্মোচিত হয়। মানুষজন সমুদ্র সৈকতে থাকার সময় নাকি কেউ ফিসফিস করছে বলে শুনতে পাওয়া যায়। আরও শোনা যায়, এই স্থানে হাঁটতে বেড়িয়ে নাকি বহু মানুষ আর ফিরে আসেননি। 

৪) টানেল নং ৩৩, সিমলা-কালকা ট্রেন রুট 


টানেল নং ৩৩ এমন এক সুরঙ্গ, যা সিমলা-কালকা ট্রেন রুটে অবস্থিত। কথিত আছে, ক্যাপ্টেন বারোগ নামে এক ব্রিটিশ প্রকৌশলী দ্বারা নির্মিত হয়েছিল এই সুরঙ্গ। বলা হয়, এই সুড়ঙ্গেই সেই ক্যাপ্টেনের আত্মা ঘুরে বেড়ায় এবং লোকের সাথে কথোপকথন করে থাকে। 

৫) চার্লেভিল ম্যানশন, সিমলা 


ব্রিটিশ যুগে নির্মিত এই প্রাসাদটি একজন ব্রিটিশ অফিসার ভিক্টর বেলি তাঁর স্ত্রি-সহ ভাড়া নিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর তিনি জানতে পারেন যে এটি একটি পোলটারজিস্টের বাড়ি। সুতরাং তারপর তিনি প্রশংসাকে আরও পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যার কারণে তিনি এই ম্যানশনের একটি নির্দিষ্ট কক্ষকে তালাবন্ধ করে রাখেন, এবং সেখানে বেশিরভাগ ভুতুড়ে ক্রিয়াকলাপ হত বলে জানতে পারা যায়। 


You might also like!