
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ গত ১৪ জানুয়ারি মণিপুর থেকে শুরু হয়েছে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা। মেঘালয় হয়ে তা অসমে প্রবেশ করেছে। মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা পৌঁছতেই অশান্তি শুরু হয়। ব্যারিকেড দিয়ে শহরে ঢোকার রাস্তা বন্ধ ছিল। সেই ব্যারিকেড টপকেই শহরে ঢোকার চেষ্টা করেন কংগ্রেস কর্মীরা। এই নিয়েই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, হাতাহাতি শুরু হয়। হিংসায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। সেই মতো রাহুল গান্ধী, কেসি বেণুগোপাল সহ একাধিক নেতার নামে এফআইআর করা হয়।
এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লেখেন কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। চিঠিতে তিনি লেখেন, রাহুল গান্ধী জেড প্লাস নিরাপত্তা পাওয়ার কথা। কিন্তু গতকাল একাধিক এমন দৃশ্য দেখা গিয়েছে যেখানে অসম পুলিশ চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকেছে, নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে বিজেপি কর্মীদের রাহুল গান্ধীর কনভয়ের কাছে আসতে দিয়েছে। রাহুল গান্ধী ও তার সঙ্গে থাকা সকলের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
চিঠিতে তিনি ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রার পোস্টার ছেড়া, যাত্রায় বাধা দেওয়া ও রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি ভূপেন বোরার উপরে হামলার ঘটনাও উল্লেখ করেন তিনি। প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন কংগ্রেস সভাপতি।
ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং রাহুল গান্ধীর কোনও গুরুতর আঘাত না লাগে, তার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে। কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রায় বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
