
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বড়দিনের আবহে পর্যটকদের ঢল সিমলায়। তবে সেখানে ক্রিসমাস সেলিব্রেশনের আগেই বিপাকে জড়ালেন তাঁরা। রাস্তার মাঝেই গাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রইলেন শয়ে শয়ে ট্যুরিস্ট।
জানা গিয়েছে, ক্রিসমাস ইভে সিমলা, কুলু, মানালি, রোটাং পাস, কাসলে উপচে পড়েছে পর্যটকদের ভিড়। সকলেই বড়দিন উদযাপনে ভিড় জমিয়েছেন সাদা বরফে মোড়া পাহাড়ি এলাকায়। আর এর জেরেই বীভৎস ট্র্যাফিক জ্যাম দেখা গেল এই ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশনগুলিতে।
শনিবার থেকেই তুষারপাত চলছে রোটাং পাসের নবনির্মিত অটল টানেলে। পীর পাঞ্জালের পূর্বদিকের রেঞ্জে হিমালয়ের বুক চিরে তৈরি এই অটল টানেল দেখতে দলে দলে মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। হিমালয়ের ১০ হাজার ফিট উচ্চতায় দীর্ঘতম সিঙ্গল টিউব হাইওয়েতে এখন বরফে চাদরে মোড়া। লে-মানালি হাইওয়ের পাশেই এই অটল টানেল।
গত বৃহস্পতিবার থেকেই সিমলা জেলা পুলিশের তরফে বড়দিনে পর্যটকদের ঢল নামার ইঙ্গিত মিলেছিল। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ১ লাখের বেশি ট্যুরিস্ট গাড়ি এই হাইওয়ে দিয়ে যাতায়াত করতে পারে বলেও অনুমান পুলিশের।
এই প্রথম সিমলায় আয়োজিত হয়েছে উইন্টার কার্নিভ্যালের। রাজ্যের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য প্রমোট করছে এই কার্নিভ্যাল। ঝাঁকে ঝাঁকে পর্যটক এই কার্নিভ্যালে অংশ নিতে ছুটে আসছেন। তার মাঝেই আনন্দ দ্বিগুণ করেছে তুষারপাত। সিমলা পুলিশের SP সঞ্জীব কুমার গান্ধী বলেন, 'বছরের শেষ সপ্তাহে ১ লাখ পর্যটকদের গাড়ি এই রাস্তায় যাতায়াত করবে। সিমলার আবহাওয়াও ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে। এই উৎসবের মরশুমে পর্যটকদের ঢল সামাল দিতে আমরা প্রস্তুত। উইকএন্ডে পর্যটকদের আনাগোনা আরও বেড়ে গিয়েছে। বরফে ঢাকা রাস্তায় তাঁদের ঠিকমতো গন্তব্য পৌঁছনোও আমাদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ। পাঁচটি সেক্টরে সিমলাকে ভাগ করে উদ্ধারকারী দলকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি শোগি সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে। তবে এই মরশুমে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে নিত্য ১২ হাজার থেকে ১৩ হাজার। এটি বড়দিন এবং বর্ষবরণের মাঝে ২০ হাজার পর্যন্ত ছুঁতে পারে। ২০০ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এলাকায়। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্যেই বাড়তি কর্মী নামানো হয়েছে।'
