West Bengal

50 minutes ago

Humayun Kabir: ‘কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে’! পুলিশের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ হুমায়ুনের

Aam Janata Unnayan Party (AJUP) leader Humayun Kabir
Aam Janata Unnayan Party (AJUP) leader Humayun Kabir

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে ফের নতুন করে উত্তেজনা। রবিবারই নির্বাচনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। দলের কর্মীদের একের পর এক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। এবার সেই একই অভিযোগ সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হলেন নওদার বিধায়ক। চিঠিতে দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং গ্রেপ্তারির অভিযোগের কথা তুলে ধরে বিষয়টি কমিশনের নজরে এনেছেন তিনি। উপনির্বাচনের আগে এই অভিযোগ ঘিরে রেজিনগরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ফের চর্চা শুরু হয়েছে। 

রবিবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুন কবীর অভিযোগ করেছিলেন, “মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা পুলিশের ক্ষমতা ব্যবহার করে ভোট করাতে চাইছে। আমাদের দলের নেতা-কর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তাঁদের। ভোটের দিন এর মোকাবিলা হবে। তাই এর প্রতিবাদে প্রচার থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভোটের আগে বিজেপির কথায় পুলিশ আমাদের কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে।” এই মর্মেই নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে বিস্তারিত নালিশ জানান আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘বহরমপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার নির্বাচনকে প্রভাবিত করছেন। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রচার বন্ধ করতে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। তাঁর প্রত্যক্ষ নির্দেশেই বিভিন্ন থানার আইসি ও ওসি-রা আমাদের রাজ্য ও ব্লক স্তরের নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় জেলবন্দি করছেন।’ 

কর্মীদের গ্রেপ্তারির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে হুমায়ুন লেখেন, ‘বেলডাঙা-১ ব্লক সভাপতি মুনাইম শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের রাজ্য কমিটির সম্পাদক সুখবর মোল্লাকে রাত ১২টার সময় তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জাল নোট ও আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মামলায় মিথ্যাভাবে ফাঁসানো হয়েছে তাঁকে।’ আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম মণ্ডলকে গ্রেপ্তারি সহ একাধিক কর্মীদের ‘ইচ্ছাকৃত’ গ্রেপ্তারের অভিযোগ তুলে নালিশ হুমায়ুনের। চিঠিতে বহরমপুর পুলিশ সুপার, বহরমপুর পুলিশ জেলা, আইসি, বেলডাঙা থানার ও রেজিনগর থানার ওসির অপসারণের দাবি তোলেন নওদার বিধায়ক।

প্রসঙ্গত, সোমবারই বহরমপুর থানায় বাবরি-অডিও কাণ্ডে হুমায়নু কবীরকে তলব করে পুলিশ। সেই মতো সকাল ১১টা নাগাদ থানায় হাজিরা দেন তিনি। শনিবার দুপুরের পরে হুমায়ুন কবীরের শক্তিপুরের বাড়িতে গিয়ে নোটিস দেয় বহরমপুর থানার পুলিশ। থানায় হাজিরার জন্য হুমায়ুনকে নোটিস দেওয়া হয়। জানা গিয়েছিল, নির্বাচনের সময় একটি অডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে মুর্শিদাবাদে নির্মীয়মান বাবরি মসজিদে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগানোর কথা বলা হয়েছিল। দুই ব্যক্তির মধ্যে ওই কথোপকথন হয়েছিল। যদিও সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা বিচার করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। ওই কল রেকর্ডিংয়ের অন্যপ্রান্তে হুমায়ুন কবীর ছিলেন বলে অভিযোগ। দিন কয়েক আগে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে এক ব্যক্তি কথা বলে হিংসা ছড়ানো ওই পরিকল্পনা করেছিলেন বলে অভিযোগ। অডিও ক্লিপের তদন্তে নেমে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারও করে পুলিশ। সেই মামলাতেই আজ থানায় হাজিরা দেন হুমায়ুন। 

You might also like!