Breaking News
 
Rejinagar By Election: ‘আগেও বিজেপিই ছিল, এখনও থাকবে’! মনোনয়ন জমা দিয়ে কেন এমন বললেন হুমায়ুনপুত্র? CJI Surya Kant: সুপ্রিম নির্দেশ অমান্য করে ‘আরশোলা’কে নোটিস! ‘এত স্পর্ধা?’ জেলাশাসককে তীব্র ভর্ৎসনা Agnimitra Paul: ‘স্বাস্থ্যের সঙ্গে ছিনিমিনি…’, রেস্তোরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ডের পর বড় পদক্ষেপের আর্জি অগ্নিমিত্রার CM Suvendu Adhikari: ‘সরকারি অনুদান নেব না’! শুভেন্দুর আবেদনে সাড়া, মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে ‘রিটার্ন গিফট’ পুজো উদ্যোক্তাদের Purnadas Baul Suvendu Adhikari: জমি জট নিয়ে শুভেন্দুর দরবারে পূর্ণদাস বাউল! ‘কথায় ওঠবস করব না বলে…’, মমতাকে তোপ ছেলের Calcutta High Court: কলকাতা হাই কোর্টের স্থায়ী প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ রবীন্দ্র ভি ঘুগের

 

kolkata

45 minutes ago

Agnimitra Paul: ‘স্বাস্থ্যের সঙ্গে ছিনিমিনি…’, রেস্তোরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ডের পর বড় পদক্ষেপের আর্জি অগ্নিমিত্রার

Agnimitra Paul on Licence suspension
Agnimitra Paul on Licence suspension

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  কোথাও মজুত করে রাখা হচ্ছে পচা মাছ-মাংস, আবার কোথাও খাবারে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকর রং। খাদ্যের মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে এমন একাধিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর কলকাতার প্রায় ৪০টি নামী দোকান ও রেস্তোরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের বার্তা, খাদ্যের মান বা স্বাস্থ্যবিধি গুরুতরভাবে লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্ট দোকান ও রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল করে সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া উচিত। তাঁর মতে, মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা যায় না। শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপই যথেষ্ট নয় বলেও মন্তব্য করেছেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, খাদ্যে ভেজাল বা স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের মতো ঘটনার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকেও প্রতিবাদে সরব হতে হবে। 

এ দিন অগ্নিমিত্রা বলেন, ‘রেস্তোরাঁ, হোটেল যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানে, মিষ্টির দোকানে ক্ষতিকর রং ব্যবহার করা হয়— তা হলে তো শুধু অনিয়ম নয়, মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি ছিনিমিনি খেলা এবং গুরুতর অপরাধ। যে ভাবে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলের মতো কঠোর পদক্ষেপ করা হয়, সে ভাবেই এই ধরনের রেস্তোরাঁ, খাবারের দোকানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ করা উচিত বলে দাবি করেছেন দিলীপ। তাঁর কথায়, ‘এই সরকার সমস্ত কিছু ঠিক করার চেষ্টা করছে। সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন, এ বার আপনারাও প্রতিবাদ করুন। অভিযোগ বার বার এসেছে।’ দিলীপের অভিযোগ, আগের সরকারের আমল থেকেই এই ধরনের বিভিন্ন অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে কোনও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ পূর্বতন সরকার করেনি বলে দাবি করেন দিলীপ। তাঁর বক্তব্য, ‘যত রকমের বেআইনি কাজ হোটেল, রেস্তোরাঁতে হয়। খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে আমরা কম গুরুত্ব দিই। তাই আমাদের স্বাস্থ্য খারাপ। আবার ভালো চিকিৎসা পাবেন তারও উপায় নেই। কারণ আগের সরকার স্বাস্থ্য পরিষেবা বলেও কিছু রাখেনি।’ 

বীরভূমের তারাপীঠ ও কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন গেস্ট হাউসের সুরক্ষা বিধি নিয়েও অভিযান চালিয়েছিল প্রশাসন। কলকাতার ৯১৯টি গেস্ট হাউস বন্ধের নোটিস দিয়েছে কলকাতা পুরসভা। পুজোর আগে একধাক্কায় এত গেস্ট হাউস বন্ধ হলে পর্যটনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা। দিলীপ বলেন, ‘আমার পরামর্শ, এখনও সময় আছে। আপনারা সব পরিকাঠামো ঠিকঠাক করে নিন। সরকারের কাছে লাইসেন্স রিনিউ করার আবেদন জানান। না হলে পুজোয় এর প্রভাব পড়বে। যাঁরা হোটেল চালাচ্ছেন, তাঁদের সতর্ক থাকতে হবে।’  

You might also like!