
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:ঘরের মেয়ের মনোনয়ন: ভবানীপুরের রাজপথে জনজোয়ার। বুধবার সকালে তিলধারণের জায়গা ছিল না কালীঘাট থেকে আলিপুর সার্ভে বিল্ডিং পর্যন্ত। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ নিজের বাসভবন থেকে বেরোন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিলে তাঁর পাশে দেখা যায় দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী ফিরহাদ হাকিম এবং তাঁর পরিবারকে। শঙ্খধ্বনি আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত ছিল গোটা এলাকা। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু অধিকারীর হাই-ভোল্টেজ প্রচারের পালটা হিসেবেই আজকের এই মিছিলে বহুত্ববাদ ও ‘মিনি ইন্ডিয়া’-র বার্তা দিতে চেয়েছে তৃণমূল। কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মাঝে মমতার এই সহজ পদযাত্রা আবারও প্রমাণ করল, ভবানীপুরের আবেগ তাঁর হাতের মুঠোয়।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে রাজ্যজুড়ে ঝোড়ো প্রচার করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মঙ্গলবারও একাধিক নির্বাচনী সভা করেন তিনি। আগেই জানা গিয়েছিল, ৮ এপ্রিল অর্থাৎ মঙ্গলবার মনোনয়ন পেশ করবেন মমতা। কালীঘাট থেকে মিছিল নিয়ে আলিপুরের সার্ভে বিল্ডিংয়ে পৌঁছবেন তিনি। সেই মতোই এদিন সকাল সাড়ে দশটায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হন তিনি। তাঁর অপেক্ষায় জমায়েত করেছিলেন কর্মী-সমর্থকরা। সকলের হাতে ছিল দলের পতাকা, বেলুন। ছিলেন ৮ কাউন্সিলরও। বিরাট মিছিল নিয়ে পৌঁছন আলিপুরের সার্ভে বিল্ডিংয়ে পৌঁছন মমতা। সেখানে মনোনয়ন পেশ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মনোনয়নের অন্যতম প্রস্তাবক ছিলেন ফিরহাদ হাকিমের স্ত্রী। মনোনয়ন পত্রে বাংলায় সই করেন মমতা। এরপর বেরিয়ে সার্ভে বিল্ডিংয়ে তাঁর অপেক্ষায় থাকা আমজনতার উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন তিনি। এরপর তিনি বলেন, “আমি এখানেই আছি। এখানেই থাকি। এখান থেকেই আমার সবকিছু। ভবানীপুরের মানুষকে আমার প্রণাম। ভবানীপুরের পাশাপাশি ২৯৪ কেন্দ্রেই তৃণমূলের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য বলব।” গরমে সকলকে শরীরের যত্ন নেওয়ার কথা বললেন তিনি। এদিনও এসআইআরে নাম বাদ নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, এদিনও নির্বাচনী সভা রয়েছে মমতার।
