International

2 years ago

International News: সুদানে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আধা-সামরিক বাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ

Heavy clashes between military and paramilitary forces in Sudan
Heavy clashes between military and paramilitary forces in Sudan

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ  গত বেশ কয়েকদিন ধরেই আফ্রিকার সুদান আভ্যন্তরীণ আগুনে জ্বলছে। সেই আগুন ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে সোমবার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদানের সেনাবাহিনী এবং কুখ্যাত আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-র মধ্যে ক্ষমতার লড়াই দেশটিকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। রাজধানী খার্তুমে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং সেনা সদরদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বাহিনীর মধ্যে লড়াই চলছে। এই মুহূর্তে বিশ্ব কূটনৈতিক মহল সচেষ্ট না হলে সুদানের অবস্থা খুবই খারাপ হতে চলেছে।

  এমনিতেই আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া সুদানের মানুষের তীব্র খাদ্যাভাব। সেই পরিস্থিতিতে যুদ্ধের জন্য ব্যয় হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ীভাবে অস্থিতিশীল বলে পরিচিত সুদানের রাজধানীতে এই লড়াই নজিরবিহীন এবং এমনকি এটি বেশ দীর্ঘায়িতও হতে পারে। যদিও আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিকভাবে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে কূটনীতিকরা সক্রিয় হতে শুরু করেছেন। দুই বাহিনীর মধ্যকার এই সংঘর্ষে বিমান হামলা, আর্টিলারি এবং ভারি গোলাগুলির ব্যবহারও দেখা যাচ্ছে। সুদানের জনৈক প্রতিনিধি নিরাপত্তা পরিষদের  সভায় বলেছেন, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮৫ জন নিহত এবং আরও ১৮০০ জন আহত হয়েছেন। বৈঠকের পর পার্থেস সাংবাদিকদের বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি খুবই অস্পষ্ট। তাই লড়াইয়ের ফলে ক্ষমতার ভারসাম্য কোথায় স্থানান্তরিত হচ্ছে তা বলা খুব কঠিন।’ এই পরিস্থিতিতে সুদানবাসী উদ্বিগ্ন। আরো উদ্বিগ্ন খাদ্যভাবের জন্য।

  যদিও জাতিসংঘের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সুদানের যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে ‘অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধ করার’ আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, লড়াইয়ের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেলে তা ‘দেশ ও অঞ্চলের জন্য ধ্বংসাত্মক হতে পারে।’ এর আগে সুদানের চিকিৎসকরা লড়াইয়ে প্রায় ১০০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পাশাপাশি উভয় পক্ষের ‘বহু সংখ্যক’ যোদ্ধার মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিলেন। তবে হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ সংঘাতে আহত অনেক মানুষ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে সুদানের মানুষের হাহাকার শুরু হয়েছে।

You might also like!