
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বারে বারে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে দক্ষিন ২৪ পরগনার ভাঙড়। শহর কলকাতা লাগোয়া ভাঙড় ১ ও ভাঙড় ২ ব্লকের বহু জায়গায় অশান্তি, গণ্ডগোল হয়েছে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। বোমা, গুলির লড়াইও চলেছে বারে বারে। মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। কিছুতেই যেন অশান্তি থামতে চাইছে না ভাঙড়ের। বারুইপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত ভাঙড়ের দুটি থানা কাশিপুর ও ভাঙড়কে তাই এবার কলকাতা পুলিশের আওতায় আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। বুধবার এমনই বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বেশ কয়েক বছর আগেই ভাঙড়ের আর একটি থানা কলকাতা লেদার কমপ্লেক্সকে কলকাতা পুলিশের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছিল। এবার কাশিপুর ও ভাঙড় থানাকেও কলকাতা পুলিশের আওতায় নিয়ে আসার চিন্তাভাবনা শুরু করে দিল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তার পর কার্যত খুশি ভাঙড়ের সাধারণ মানুষ। তাঁদের দাবি কলকাতা পুলিশের আওতায় এলে ভাঙড়ের সমস্যা অনেকক্ষানি মিটে যাবে।
এদিকে ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি দাবি করেছেন, অনেক আগেই তিনি জানিয়েছেন বারুইপুর পুলিশ জেলার তরফে তৃণমূলের গুন্ডা, মস্তানদের রুখতে পারছে না। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা কার্যত তাঁর সেই দাবিতেই শিলমোহর বলে মনে করেছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি ভাঙড়ের গনতন্ত্রকে পুলিশ তন্ত্র তৈরির চেষ্টা করেন তাহলে তিনি ভাঙড়ের বিধায়ক হিসেবে আইনি লড়াই লড়বেন।
