
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:চুঁচুড়ার দেবানন্দপুর গ্রামপঞ্চায়েতের ৫৭ নম্বর বুথে ভোট চলাকালীন তুমুল উত্তেজনা। তৃণমূলের বুথ এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। আর তাতেই ক্ষুব্ধ চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য।
দ্বিতীয় দফা ভোটের শেষলগ্নে চুঁচুড়ায় তুমুল শোরগোল। তৃণমূলের অভিযোগ, তাদের পোলিং এজেন্টকে বেধড়ক মারধর করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই খবর পেতেই ঘটনাস্থলে যান তৃণমূল প্রার্থী। আক্রান্ত পোলিং এজেন্ট সমীর দাসকে চিকিৎসার জন্য চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আক্রান্ত পোলিং এজেন্টের অভিযোগ, বুধবার সকাল থেকে তিনি বুথে উপস্থিত ছিলেন। এরপরই প্রিসাইডিং অফিসারকে জানিয়েই কিছুক্ষণের বিরতি নিয়ে বেরিয়েছিলেন বুথের বাইরে। তারপর বুথে ঢুকতে যেতেই জওয়ানরা প্রথমে তাঁকে বাধা দেন, তারপর মারধর করেন বলে অভিযোগ।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেবাংশু অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের বুথ এজেন্টকে কেন মারধর করেছেন, তা জানতে চাওয়া হলেও কেউ মুখ খুলতে চাননি। ঘটনার সদুত্তর না পেলে বাহিনীকে হাই কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন দেবাংশু। ঘটনাস্থলে গিয়ে ভোটের দায়িত্বে থাকা অফিসারদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন ওই বুথের সাধারণ পর্যবেক্ষক।
প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘অতি সক্রিয়তা’ দেখেছে রাজ্য। বাহিনীর বিরুদ্ধেই ক্যানসার আক্রান্ত মহিলা থেকে, সাধারণ ভোটারকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, সাতগাছিয়ায় শিশুও বাহিনীর লাঠির ঘায়ে আহত হয়েছে বলে অভিযোগ। তা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তিনি লেখেন, ‘ভোটের দিনে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালিয়েছে বাহিনী। অমিত শাহের ‘কসাই’ ও ‘জল্লাদ’ বাহিনী নিরীহ শিশুকেও আঘাত করতে ছাড়েনি।’
