Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

kolkata

2 years ago

Dengue : দক্ষিণ দমদমে ক্রমেই বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা

Fumigation is being done to kill mosquitoes in slum areas of Dattabad (Symbolic Picture)
Fumigation is being done to kill mosquitoes in slum areas of Dattabad (Symbolic Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ আবার ও দক্ষিণ দমদমে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। এর আগে কিছু দিন আক্রান্তের সংখ্যা নিম্নমুখী দেখে ডেঙ্গির প্রকোপ কমার আশা দেখেছিলেন বাসিন্দারা।

পুজোর সময়ে সংক্রমণ কমে দিনে চার থেকে পাঁচ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হচ্ছিলেন। কিন্তু পুজো শেষ হতেই সেই সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বর্তমানে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছে। রবিবার ও সোমবার ২২ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর এসেছে। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত দক্ষিণ দমদমে আড়াই হাজার বাসিন্দা ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গি এবং জ্বর মিলিয়ে ওই পুর এলাকায় আট জনের মৃত্যু ঘটেছে। কয়েক দিন ধরে ডেঙ্গির প্রকোপ যে সব জায়গায় বাড়ছে, আগেও ওই সব জায়গায় রোগের বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। অথচ পুর প্রশাসনের দাবি, পুজোর সময়েও ওই সব এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ চলেছে। সে ক্ষেত্রে ফের ডেঙ্গির প্রকোপ কী ভাবে বাড়ছে, তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।

বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, সকলেই পুজোয় মেতে ছিলেন। স্বাভাবিক ভাবেই মশা নিয়ন্ত্রণে কাজের গতি কিছুটা হলেও শ্লথ হয়েছিল। ফলে পুজোর পরে ডেঙ্গির প্রকোপ বৃদ্ধির আশঙ্কা ছিলই। দক্ষিণ দমদমে মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থায়ী পরিকল্পনার প্রয়োজন। বাসিন্দাদের মতে, ঘিঞ্জি এই পুর এলাকায় পরিত্যক্ত কারখানা, গুদাম বা বসতবাড়ি-ফ্ল্যাট যেমন রয়েছে, তেমনই উদ্যান, নির্মীয়মাণ আবাসনও রয়েছে। ওই সব জায়গায় বছরভর মশা নিয়ন্ত্রণে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া দরকার।

পুজো মিটতেই দেখা যাচ্ছে জলাশয়, খাল ও বিভিন্ন জায়গায় যত্রতত্র আবর্জনা জমে রয়েছে এবং প্লাস্টিক-বাতিল জিনিস জলে ভাসছে। এমনই অভিযোগ বাসিন্দাদের। তবে ওই অভিযোগ মানতে নারাজ পুর কর্তৃপক্ষ। তাঁদের দাবি, এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিয়ন্ত্রণের কাজে জোর দেওয়া হয়েছে।

You might also like!