kolkata

5 hours ago

Section 163 before July 21: একুশের মঞ্চ ঘিরে সংঘাতের ইঙ্গিত! ‘দরকারে থানায় যাব’, ১৬৩ ধারা নিয়ে হুঁশিয়ারি দোলার

Dola Sen
Dola Sen

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ধর্মতলায় আগামী ৬০ দিনের জন্য ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ নম্বর ধারা (পূর্বতন ১৪৪ ধারা) জারি হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ২ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত, মিছিল, সভা, ধরনা ও বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা জারির সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর একুশে জুলাইয়ের তৃণমূলের বার্ষিক সমাবেশ ঘিরে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। এমনিতেই দলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের আবহে সমাবেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তার মধ্যেই ধর্মতলা চত্বরে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় রাজনৈতিক সমীকরণ নতুন মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

আগামী একুশে জুলাই তৃণমূলের শহিদ সমাবেশ পালন নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। দুই শিবিরই নিজেদের আসল দাবি করে পুলিশের কাছে অনুমতি পত্র পাঠিয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে মূলত যে জায়গায় একুশের সমাবেশের মঞ্চ বাঁধা হচ্ছে, ধর্মতলার সেই চত্বরেই আগামিকাল থেকে ১৬৩ ধারা জারি করার কথা ঘোষণা করেছে সরকার। কিন্তু সেই নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করেই তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনের বক্তব্য, “আইন, বিচার ব্যবস্থা ও পুলিশ প্রশাসনের ওপর ভরসা আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন গত ৩৩ বছর ধরে ২১শে জুলাইয়ের কর্মসূচি করে আসছেন, তেমনই এবছরও করতে পারবেন। আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে থানায় যাব।” পাশাপাশি ধর্মতলায় ১৬৩ ধারা জারি নিয়ে সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা বলে সরকারের ‘তুঘলকি শাসন’ বলে কটাক্ষ করেন দোলা। 

উত্তর কলকাতায় একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় কর্মীদের উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছিলেন,  ৫ জন লোক হলেও ধর্মতলায় যাব। তারপর পুলিশের কাছে অনুমতিপত্র যায় কালীঘাট তৃণমূলের তরফে থেকে। মঞ্চ বাঁধার জন্য রাস্তা মাপজোক করে কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরদের বিরুদ্ধে হেয়ার স্ট্রিট থানায় মামলাও রুজু হয়। মঙ্গলবার ধর্মতলার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ১৬৩ ধারা জারি থাকবে বলে সরকারি ঘোষণার পরেও নাছোড়বান্দা ‘কালীঘাট তৃণমূল’! 

উল্লেখ্য, এদিন ডক্টরস ডে উপলক্ষে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুর্গাপুরে যান তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন। সেই অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথেই তাঁকে কালো পতাকা দেখান স্থানীয় মানুষ ও বিজেপি সমর্থকরা। ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও ওঠে। তারপরেই বিজেপি সরকারের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে একুশের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন দোলা। এখন দেখার ছাব্বিশের নির্বাচনের ভোটব্যাঙ্কে মানুষ যাঁদের প্রত্যাখ্যান করেছে, সরকারি নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে তার ছাব্বিশের ‘একুশ-উৎসব’ পালন করতে কতখানি সফল হন?

You might also like!