
নয়াদিল্লি, ৮ ফেব্রুয়ারি : ফের স্বস্তিতে অনুব্রত মণ্ডল। এখনই দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া যাবে না বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতিকে। দিল্লি হাই কোর্টে আবারও পিছোল ইডি’র মামলার শুনানি। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি।
এই মুহূর্তে গরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়ে সায়গল হোসেন তিহার জেলে বন্দি। তদন্তের স্বার্থে তৃণমূলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতাকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। সেই মর্মে মামলাও দায়ের হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, তাঁকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করলে অনেক অজানা তথ্যই বেরিয়ে আসবে। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট অনুব্রতকে দিল্লি আনার অনুমতি দিয়েছিল। যার পালটা আবেদন করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত।
গত বছরের আগস্ট মাসে বীরভূমের নিচুপট্টির বাড়ি থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে গরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তদন্তে তাঁর নামে ও বেনামে বহু সম্পত্তির খোঁজ মেলে। এরপর ইডি’র নজরে পড়েন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি। অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, অনুব্রতকন্যা সুকন্যাকে দিল্লিতে জেরা করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অনুব্রত ও সুকন্যার হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অনুব্রতকে জেরার পর গত ১৭ নভেম্বর গ্রেফতার করে ইডি। বুধবার বিচারপতি জানান, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানিতে জামিনের আবেদন-সহ যাবতীয় আবেদন শোনা হবে।
