kolkata

1 week ago

DYFI Inquilab Rally: বিজেপির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক লড়াইয়ের ডাক! ‘ইনকিলাব’ সমাবেশে ব্রিটিশ শাসনের প্রসঙ্গ মীনাক্ষীদের

Minakshi Mukherjee
Minakshi Mukherjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  বিজেপির শাসনকালকে ব্রিটিশ শাসনের সঙ্গে তুলনা করে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক রাজনৈতিক লড়াইয়ের ডাক দিল সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। রবিবার ধর্মতলায় আয়োজিত ‘ইনকিলাব’ সমাবেশ থেকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করার জন্য দলের যুব কর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। সমাবেশে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম যুব সংগঠনের কর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর ছিল, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সংগঠিত ভাবে লড়াইয়ের প্রস্তুতি আরও বাড়াতে হবে। একই সুরে প্রাক্তন যুবনেত্রী তথা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ও মানুষের পাশে থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, এই কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের স্বার্থে ধারাবাহিক ভাবে আন্দোলনের ময়দানে থাকা জরুরি। সেই লড়াই তাঁরা সকলে মিলে চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান মীনাক্ষী। তবে পথ যে সহজ নয়, তা মনে করিয়ে দিয়ে আরও বেশি সক্রিয় হওয়ার জন্য দলের যুব কর্মীদের আহ্বান জানান তিনি। 

আবহাওয়া ও শাসকের চোখরাঙানি উপেক্ষা করে রবিবাসরীয় ধর্মতলার রাজপথ ভাসল শ্বেত পতাকা আর লাল তারার জনসমুদ্রে। রবিবার ডিওয়াইএফআইয়ের ডাকে আয়োজিত ‘ইনকিলাব’ সমাবেশকে কেন্দ্র করে কলকাতার রাজপথে আছড়ে পড়ে হাজার হাজার ছাত্র-যুবর ক্ষোভ। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কর্মী-সমর্থকদের মিছিলে মুখরিত হয়ে ওঠে মহানগরী। সমাবেশ থেকে সুর চড়িয়ে বাম যুবনেতাদের স্পষ্ট চ্যালেঞ্জ, যুবসমাজের অদম্য শক্তিকে খাটো করে দেখলে শাসক ভুল করবে। ভাগাভাগির রাজনীতি করে এবং মানুষের রুটি-রুজির ওপর আক্রমণ নামিয়ে কোনও সরকারই বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। 

ধর্মতলার সমাবেশে মীনাক্ষী বলেন, ‘‘যেভাবে ইংরেজরা হিন্দু-মুসলিম করে সিপাহী বিদ্রোহ দমন করেছিল, যেভাবে হিন্দু মুসলিম ভাগ করে ব্রিটিশরা দেশভাগ করেছিল। সেই ভাবেই ইংরেজদের কাছে মুচলেকা দেওয়া ডবল ইঞ্জিনের সরকার হিন্দু-মুসলিম করে দেশকে ভাগ করেছে। ধনী-দরিদ্র করে দেশকে ভাগ করেছে।” এদিন বিজেপিকে বিঁধে মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘‘কর্মসংস্থান তৈরি না করে মানুষের মুখের গ্রাস কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। পুনর্বাসন ছাড়াই হকারদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে এবং ১০০ দিনের কাজের মতো প্রকল্পগুলো বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রতিহিংসা নয়, ভালোবাসার বাংলা গড়তে হবে। রাজ্যের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের শোচনীয় হাল।” সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, প্রাক্তন যুব নেতা আভাস রায়চৌধুরী, ডিওয়াইএফআই-এর ধ্রুবজ্যোতি সাহা, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিমগ্নরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়। 

You might also like!