
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ আর্থিক অবস্থা ভয়ঙ্কর খারাপ। প্রায় দেউলিয়া অবস্থা পাকিস্থানের। এই অবস্থায় এক অভিনব সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্থান সরকার। দেশজুড়ে অভাব-হাহাকার। ঋণের জন্য আইএমএফের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। নিজেরাও নিচ্ছে ভিন্নধর্মী নানা পদক্ষেপ। বিদ্যুৎ খরচ রোধে এবার স্বল্প শক্তির সাশ্রয়ী যন্ত্রের উৎপাদনের দিকে ঝুঁকেছে দেশটির সরকার। নিষিদ্ধ করেছে ঐতিহ্যবাহী ফ্যান উৎপাদন ও তার ব্যবহার।
বুধবার শক্তি সংরক্ষণ পরিকল্পনার আওতায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির ফেডারেল সরকার। আগামী ১ জুন থেকে এটি কার্যকর হবে। সত্য এরপরে আর কোথায় পাকিস্থান যাবে তা নিয়ে চিন্তিত বিশ্বের নাগরিক মহল।
দেশের আর্থিক হল ফেরাতে এই অবস্থার কথা শুনে বিস্মিত পৃথিবী। আধুনিক প্রযুক্তির সুযোগ না নিয়ে কোনো দেশ চলতে পারে না।
দেউলিয়া’ অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এর আগেও এমন নানা বিতর্কিত পদক্ষেপ নিয়েছে অভাবে দিশাহারা দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার।
শিগগিরই এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আদেশ জারি করা হবে। ন্যাশনাল এনার্জি এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড কনজারভেশন অথরিটি (এনইইসিএ)কে ৮০ ওয়াটের কম শক্তির ফ্যানের উৎপাদন নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিন্তিত পাকিস্থানের মানুষজন। কারণ পাকিস্থানে ব্যাপক গরম পড়ে।
প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে,সিদ্ধান্ত অনুসারে, ৮০ ওয়াটের কম খরচ হয় এমন ‘ওয়ান স্টার’ ক্যাটাগরির ফ্যান তৈরি এবং বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে।
এসির ইনভার্টারসহ ফ্যানগুলো ফাইফ স্টার ক্যাগাটরির, এগুলো প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান উৎপাদনের জন্য পাকিস্তানের ফ্যান উৎপাদন শিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী সমিতির সঙ্গে পরামর্শ করা হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বাল্বের মতোই এই শিল্পকেও উন্নত করা যায় সে ব্যাপারে বৈঠক হবে। কিন্তু এতে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছে। এখন দেখার শেষে পর্যন্ত পাকিস্থান এই সিদ্ধান্তে অবিচল থাকে কিনা!
