
পোখরা, ১৬ জানুয়ারি : "দুর্ঘটনাস্থল থেকে জীবিত উদ্ধার হয়নি কেউ", উদ্ধারকাজের মধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কৃষ্ণ প্রসাদ ভান্ডারি। সোমবার সকালে নতুন করে উদ্ধারকাজ শুরু হওয়ার পর তিনি জানান, পোখরার দুর্ঘটনাস্থল থেকে জীবিত অবস্থায় কাউকে উদ্ধার করা যায়নি। এখনও পর্যন্ত যে ক’জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাঁরা সকলেই মৃত। ৭২ জনকে নিয়ে রবিবার পোখরা বিমানবন্দরে ভেঙে পড়েছিল ইয়েতি এয়ারলাইন্সের একটি বিমান। মাটি ছোঁয়ার মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগে ভেঙে পড়ে বিমানটি। এখনও পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে ৬৮টি মৃতদেহ উদ্ধার করা গিয়েছে। সোমবার নেপাল সেনা জানিয়ে দিল, বেঁচে আছেন, এমন কাউকে উদ্ধারকাজের সময় খুঁজে পায়নি তারা।
এদিকে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে সোমবার সকালে উদ্ধারকাজ চালাতে সমস্যায় পড়তে হয়। রবিবার নেপালের ইয়েতি এয়ারলাইন্সের যাত্রিবাহী বিমান এটিআর-৭২ পোখরা বিমানবন্দরে নামার আগে সেতি গন্ডকি নদীর ধারের জঙ্গলে ভেঙে পড়ে। মূলত যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই দুর্ঘটনা। ওই বিমানের ৭২ জন যাত্রীর মধ্যে ছিলেন পাঁচ ভারতীয়। তাঁদের সম্পর্কে সোমবার সকাল পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। যে পাঁচজন ভারতীয় নাগরিক ওই বিমানে ছিলেন তাঁরা হলেন-সোনু জয়সওয়াল (৩৫), অভিষেক কুশওয়াহা (২৫), বিশাল শর্মা (২২), অনিল কুমার রাজভর (২৭) এবং সঞ্জয় জয়সওয়াল। এই পাঁচজনের মধ্যে বিশাল, সোনু, অনিল ও অভিষেক উত্তর প্রদেশের গাজীপুরের আলাওয়ালপুর গ্রামের বাসিন্দা। শোকস্তব্ধ এই গ্রাম। গাজীপুরের আলাওয়ালপুর গ্রামের প্রধান বলেছেন, হৃদয় বিদারক ঘটনা। সকলেই খুব ভালো স্বভাবের ছিল। গ্রামের সবাই শোকাহত। শোকাহত পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত, কারণ তাঁদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল নয়।
