
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ সুদানের গৃহযুদ্ধে ইতিমধ্যে বহু মানুষ মারা গেছেন।তারমধ্যে ভারত ও মার্কিন নাগরিক আছে। প্রথম দিনই এই নিয়ে সুদানকে সতর্ক বার্তা দিয়েছিল আমেরিকা।
প্রসঙ্গত স্মরণীয়,সুদানে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে সরকার চালাচ্ছিলেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান, যিনি কার্যত দেশটির নেতা এবং আরএসএফের প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালু, যিনি ছিলেন উপ-নেতা। কিন্তু এই দুইজনের ক্ষমতার দ্বন্দ্বে দুই বাহিনীর মধ্যে লড়াই শুরু হয়েছে। সেই লড়াই কার্যত গৃহযুদ্ধে পরিণত হয়েছে।
সুদান পৃথিবীর অন্যান্য দেশের নাগরিকদের দেশে ফেরানোর চেষ্টা করছিলেন। এই নিয়ে শনিবার নরেন্দ্র মোদি সুদান সরকারে সঙ্গে আলোচনা করেছেন। সেই পরিস্থিতিতেই মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া হলো। দেশটির সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী আরএসএফের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব-সংঘাতের মধ্যে এক মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার পর শনিবার তাদের সব কূটনীতিক ও পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে।
সূত্রের খবর, আরএসএফের সহযোগিতায় ৬টি মার্কিন বিমানে করে দেশটির কূটনীতিকরা সুদান ছাড়েন।
এ ছাড়াও অন্য দেশের নাগরিকরা শনিবার রাজধানী খার্তুম থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লোহিত সাগরের একটি বন্দর দিয়ে সুদান ছেড়েছেন। সৌদি আরবের সহযোগিতায় লোহিত সাগরের বন্দর দিয়ে সুদান থেকে পালাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের মানুষ। এখন পর্যন্ত ওখানে হতাহতের সংখ্যা প্রচুর।
