Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Game

2 years ago

Clive Lloyd:ক্রিকেট ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা এই ক্রিকেটারটির আগামীকাল জন্মদিন

Clive Lloyd
Clive Lloyd

 

কলকাতা, ৩০ আগস্ট : সালটা ১৯৬৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর। মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে প্রথম টেস্ট ক্রিকেট খেলতে নামেন ক্লাইভ রবার্ট লয়েড। যার ক্রিকেট পরবর্তী কয়েক দশক ক্রিকেট বিশ্বকে মুগ্ধ করে রেখেছিল। কী অসাধারণ ক্রিকেটার। কেবল ব্যাটিংয়েই নয়, বোলিং, ফিল্ডিং, এমনকি অধিনায়ক হিসেবেও তিনি উজ্জল ছিলেন। আগামীকাল ৩১ আগস্ট (৩১/৮/১৯৪৪) গায়ানার জর্জ টাউনে তার জন্ম। ১৯৬৭ সালে ১৯ বছর বয়সে ল্যাঙ্কাশায়ার লীগে হ্যাসিংডনের হয়ে প্রথম পেশাদার লীগে পদার্পণ ঘটে লয়েডের।

১৯৭৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক নির্বাচিত হয়ে প্রথম পা রাখেন ভারতের মাটিতে। এ যেন তার স্বপ্নের সিরিজ। অধিনায়কত্বে এসেই লয়েড ব্যাঙ্গালোরে সেঞ্চুরি করেন এবং সিরিজের শেষ টেস্টে করলেন তার টেস্ট জীবনের সর্বোচ্চ স্কোর ২৪২। এরপর পরবর্তী দশ বছর দায়িত্ব এবং দক্ষতার সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন লয়েড। ১৯৭৫ এবং ১৯৭৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রুডেনশিয়াল কাপ জয়ের ঘটনায় লয়েডের অবদান ছিল অনেকখানি। তার নেতৃত্বেই ১৯৮৩ সালে তৃতীয়বারের মতো ফাইনাল খেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু সেই ফাইনালে কপিল দেবের ভারতের কাছে হেরে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই হারে দুঃখ পেয়ে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের নেতৃত্ব ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু লয়েড নামক ক্রিকেটারের ওপর যে অগাধ আস্থা ছিল ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের।ক্রিকেট বোর্ড কখনোই চাননি লয়েড অধিনায়কত্ব ছেড়ে চলে যান। কারণটা ছিল লয়েডের প্রচন্ড সীমাহীন গাম্ভীর্য দলের মধ্যে খারাপ কিছু ঘটার সুযোগ দেননি কখনও। শুধু ইন্ডিজেরই নয়, সেসময়ে ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার অধিনায়কত্ব করার বিশ্বরেকর্ড, সাত হাজার রান, শতাধিক টেস্ট খেলার কৃতিত্ব এবং দু-দু’বার ওয়ার্ল্ড কাপ জেতার গৌরব সেই সঙ্গে ১৯৮১ থেকে ১৯৮৪ একটানা ২৭টি টেস্টে অপরাজিত থাকার অবিশ্বাস্য কৃতিত্বের পেছনে লয়েডের ক্রিকেট মস্তিষ্ক এবং তার অসাধারণ ব্যাটিং প্রতিভার দ্যুতি সমভাবেই ছিল।

১৯৮৪’র ৩০ ডিসেম্বরে ক্লাইভ লয়েড তার জীবনের শেষ টেস্টটি খেলেন অস্ট্রেলিয়ার বিরদ্ধে। ক্রিকেট জীবনে ১১০টি টেস্ট খেলেছেন। ৪৬.৬৮ গড়ে রান করেছেন ৭,৫১৫, যার মধ্যে সেঞ্চুরির সংখ্যা ১৯টি। অপরাজিত ছিলেন ১৪ বার, সর্বোচ্চ রান ২৪২। আর ৮৭টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন ৩৯.৫৪ গড়ে রান করেন ১,৯৭৭। তার ব্যাটিং প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে প্রখ্যাত সাংবাদিক জন আরলট বলেছিলেন, একজন দুরন্ত ক্রিকেটার হিসেবে তার নাম ক্রিকেট ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে।


You might also like!