Entertainment

1 hour ago

Vijay Rashmika: ১৮০ পড়ুয়ার ভবিষ্যতের দায়িত্ব নিলেন বিজয়-রশ্মিকা, জনমানসে মন জিতল তারকা জুটির এই প্রয়াস

Vijay and Rashmika met students as part of a scholarship initiative
Vijay and Rashmika met students as part of a scholarship initiative

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  রূপোলি পর্দার জনপ্রিয় তারকা হলেও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধের জায়গায় কোনও খামতি রাখতে চান না দক্ষিণী তারকা জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা। শিক্ষার আলো আরও বেশি ছড়িয়ে দিতে ১৮০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ানোর যে অঙ্গীকার তাঁরা করেছিলেন, এবার তা বাস্তবায়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিলেন।

চলতি বছরের শুরুতে তেলেঙ্গানার থুম্মানপেটে নতুন বাড়ির গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠানে এই বিশেষ উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেছিলেন বিজয় ও রশ্মিকা। তাঁদের লক্ষ্য, আর্থিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনও মেধাবী ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনা যাতে ব্যাহত না হয়। সেই উদ্দেশ্যেই নবম ও দশম শ্রেণির ১৮০ জন কৃতী শিক্ষার্থীর জন্য স্কলারশিপ প্রকল্প চালু করা হয়েছে। রবিবার আচমপেট মণ্ডলের থুম্মানপেট গ্রামে পৌঁছে বিজয় জানান, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখার স্বপ্ন তিনি দীর্ঘদিন ধরে লালন করে এসেছেন। মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা ও সমর্থনের প্রতিদান দিতেই এই উদ্যোগ। শুধু একটি গ্রামেই নয়, ভবিষ্যতে গোটা তেলেঙ্গানাজুড়ে এই প্রকল্প সম্প্রসারণের ইচ্ছাপ্রকাশও করেন তিনি।


সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্বাচিত ১৮০ জন শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ করে বিজয় লেখেন,  ‘আমরা থুম্মানপেটের পথে। এটি সেই ছোট্ট গ্রাম যেটা আমার বাবার জন্মস্থান। ফেব্রুয়ারিতে আমি আর রশ্মিকা আমাদের একটি ছোট স্বপ্নের সূচনার কথা ঘোষণা করেছিলাম। তেলেঙ্গানার আচমপেট মণ্ডলের নবম ও দশম শ্রেণির পরিশ্রমী শিক্ষার্থীদের সম্মান জানাতে চাই। এখানে সেই ১৮০ জন শিক্ষার্থীর তালিকা রয়েছে, যারা তাদের বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করেছে।’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে রশ্মিকা মন্দানাও এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, “এই ছোট্ট বৃত্তি উপহার খুবই সামান্য। কিন্তু আমার কাছে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি তোমাদের জীবনের অংশ হতে চাই। ধীরে ধীরে আমার গ্রাম থেকে শুরু করে তেলেঙ্গানাজুড়ে এই উদ্যোগের সম্প্রসারণ ঘটাতে চাই। এটাই আমার স্বপ্ন। তোমাদের সাফল্য উদযাপন করতেই এই প্রচেষ্টা।”

রশ্মিকাও শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আজ আমি খুব বেশি কথা বলব না। তবে আজ আমরা ‘দ্য দেবরাকোন্ডা ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে একটি ভালো কাজের সূচনা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আচমপেট ও থুম্মানপেট থেকেই এটি শুরু করব কারণ এটি আমার শ্বশুরমশাইয়ের গ্রাম। আজ আমি আপনাদের সামনে রশ্মিকা মান্দানা দেবরাকোন্ডা হিসেবে দাঁড়িয়ে কথা বলছি। এই উদ্যোগ নিয়ে আমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত।”  শিক্ষার প্রসারে তারকাদের এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই তেলেঙ্গানাজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল নজির হিসেবেই দেখা হচ্ছে বিজয়-রশ্মিকার এই মানবিক প্রয়াসকে। 

You might also like!