
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল দেস্কঃ তাঁর মৃত্যুর পেরিয়ে গিয়েছে তিন তিনটে বছর। বছর তিনেক আগে হঠাৎ করেই মুম্বইয়ের একটি ফ্ল্যাট থেকে পাওয়া গিয়েছিল তাঁর মৃতদেহ। এটি আত্মহনন নাকি খুন? এমনই সন্দেহের বশবর্তী হয়েছিল তাঁর অনুরাগীরা। এখনও সেই প্রশ্নের খোঁজে তৎপর সিবিআই থেকে শুরু করে নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো৷ তবে এবার সুশান্ত মৃত্যু রহস্যে নতুন মোড়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মহারাষ্ট্রের ডেপুটি চিফ মিনিস্টার দেবেন্দ্র ফড়ণবিসের বক্তব্যে ফের নড়ে চড়ে বসেছে সুশান্তের অনুরাগীরা।
দেবেন্দ্র ফড়ণবিসের কথায়, সুশান্ত মামলায় সাবস্টেনশিয়াল এভিডেন্সের ভিত্তিতে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল৷ তাঁদের কাছে পৌঁছেছি এবং তাঁদের অনুরোধ করেছি পুলিশের কাছে প্রমাণ জমা দিতে। এবার আমাদের কাজ হল আমরা বর্তমান সময়ের উপর নির্ভর করে প্রমাণের গুরুত্ব বিচার করা৷ তদন্ত চলছে নিজের গতিতে৷ তবে এখনই এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা উচিত হবে নয়৷ দেখা যাক, তদন্তের ফলাফল কী দাঁড়ায়৷’
