Breaking News
 
West bengal Assembly Election: ভবানীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, মমতা বনাম শুভেন্দু, ২০২৬-এর রাজনৈতিক মহারণে শেষ পর্যন্ত নজর কাড়ল কে? West Bengal Assembly Election Result 2026: বাঙালিয়ানা ভরপুর, ধুতি -পাঞ্জাবির সাজে দিল্লির মঞ্চে মোদী, বাংলার জয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসল বিজেপি শিবির Suvendu Adhikari Reacts: ‘সোনার বাংলায় নতুন ভোর’, বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত শুভেন্দু, তৃণমূলকে হটিয়ে প্রথমবার ক্ষমতায় গেরুয়া শিবির সরকারি কাগজপত্র সংরক্ষণে কঠোর বার্তা, নথি সরানো যাবে না—মুখ্যসচিবের নির্দেশ Nawsad Siddique: পরিবর্তনের বাংলায় ভাঙড়ে বাজিমাত নওশাদের, আসন বদলে বিপর্যয় শওকতের West Bengal Assembly Election Result 2026: মুসলিম ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এগিয়ে থাকা—কারণ ব্যাখ্যা করলেন শুভেন্দু

 

Entertainment

2 years ago

Shuvanan Dutta : দুরন্ত বার্তার সাথে আলাপচারিতায় অভিনেতা শুভানন! অভিনেতা করে শেয়ার করলেন জীবনের কিছু অজানা অধ্যায়

Actor Shuvanan Dutta (Collected)
Actor Shuvanan Dutta (Collected)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলার আর্ট , কালচার, বরাবরই অনবদ্য। বাংলার শিল্পীদের গুনগত মানও দেশের অন্যান্য টেলিভিশন বা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির থেকে বেশ উন্নত। যদিও এই মানদন্ড অনেকাংশেই নির্ভর করে এই ইন্ডাস্ট্রির কলা কুশলীরদের দক্ষতার উপর। বাংলার দর্শক বরাবরই রুচিশীল যে কারণে বাংলার অভিনয় শিল্পের সঙ্গে যে সকল মানুষ যুক্ত রয়েছেন তারা দর্শকদের সেই চাহিদা মতই  নিজেদের পরিবেশন করেন পর্দায়। টেলিভিশন খুললেই বাংলা টেলি জগতের নানা মুখ আমরা দেখতে পাই সেই মুখের মধ্যে অন্যতম  হলেন শুভানন দত্ত। এনাকে একেবারেই নবাগত বলা চলে না। বাংলা টেলি জগতে বর্তমান সময়ে শুভানন কে সকলেই চেনেন। তার কাজ দর্শকদের মধ্যে বেশ আলোড়ন  ফেলেছে। সেই শুভাননের একেবারে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার আমরা ভাগ করে নেব আপনাদের সঙ্গে।

  


প্রঃআপনার এই টেলি ইন্ড্রাস্ট্রিতে আসা কেমন করে?

শুভানন: ছোট থেকে মিডিয়া জনারে কাজ করার ইচ্ছা ছিল, যদিও আমার পরিবারের কেউই এই ইন্ডাস্ট্রির পার্ট নন, তবে ছোট থেকে ডান্সের প্রতি আমার একটা ভাললাগা ছিলই এবং সেটা আমার পরিবার বুঝতে পারে এবং তাদের সহযোগিতাতেই ৬ বছর বয়সে ডান্সে আমার হাতে খঁড়ি হয়, এবং সেখান থেকেই এক প্রকার আমার জার্নি শুরু হয়। স্টেজ শোয়ের মধ্যে দিয়ে পরিচিতি পেতে শুরু করি নিজের জেলায়। আদতে আমি হাওড়ার ছেলে সেখানেই বড় হয়ে ওঠা আমার। আমার নিজের জেলায় বিভিন্ন নাটকের গ্রুপের গুনি মানুষদের আমার ডান্স ভাল লাগতে শুরু করে, এবং তাদের সহচার্য্যেই পরবর্তী সময়ে তাদের সাথে ডান্সড্রামাতে জয়েন করি। এ ভাবেই ডান্স থেকে অ্যাক্টিং -এর জগতে পা রাখি। তবে একনিষ্টভাবে অভিনয়ে আসতে গেলে যে যে বিষয়গুলির উপর বিশেষ নজর দেওয়া দরকার তার চর্চা প্রয়োজন ছিল। সে সময় আমার  একজন সিনিয়ার আমার মাকে বলেন আমার স্পিচিং -র উপর কাজ করতে হবে সেক্ষেত্রে আমার গান বা আবৃত্তি শেখা উচিত। গান শুনতে পছন্দ করি কিন্তু শেখাতে তেমন আগ্রহ ছিল না সে কারনে আমি নূপুর বোসের ক্লাসে জয়েন করি, তাঁর সাথে ২০০২-২০০৪ পর্যন্ত আমি  নন্দন ও অ্যাকাডেমিতে অনেক শোও করেছি। এরপর ইটিভি বাংলায় যিশু সেনগুপ্তের তিথির অতিথি ধারাবাহিকে শিশু চরিত্রের জন্য অডিশন দিই যদিও লুকটেস্টে আমার সিলেকশান হয়না সে সময়। তবে সেখান থেকেই আমার মূলত জার্নি স্টার্ট হয়।সেই সময় একজন থিয়েটার আর্টিস্ট মাকে বলেন যিশু সেনগুপ্তের সুটিং ফ্লোরে গিয়ে কথা বলতে কিন্তু সুটিং সিডিউল সামলে পড়াশোনা করা সম্ভব হত না,  সে কারণে সে সময় ব্রেক নিয়ে নিই। কিন্তু ইচ্ছে আর জেদটা ছিল, একটি থিয়েটারের গ্রুপের সাথে যুক্ত ছিলাম  তারপর আবারও টেলিভিশনে কাজের চেষ্টা করি। আমি ক্যালকাটা হিন্দুর ছাত্র ছিলাম। এরপর ট্রনমিডিয়াতে বাংলা সিরিয়াল সুবর্ণলতার জন্য অডিশন দিই এবং বাংলা টেলিভিশনের জন্য প্রথম ব্রেক পাই আমি। সেখানে সুবর্ণলতার বড় জামাই-র চরিত্রের জন্য আমাকে বেছে নেওয়া হয়। 

প্রঃ প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা কেন ছিল আপনার? 

শুভাননঃ শুরুতেই এত গুনি মানুষের সঙ্গে কাজের সুযোগ পাওয়া সত্যিই একটা আলাদা অনুভূতির জায়গা তৈরী করেছিল। অনেক অভিজ্ঞতা ও গল্প রয়েছে প্রথম কাজের, তার মধ্যে যেটা মনে পড়ছে বলি- প্রথম যে সিনটি সুটিং হয় সেখানে আমার ধুতি পড়ে বরের বেশে বিয়ে করতে আসার একটা সিন ছিল। তো টেক হলে আমি ধুতি পড়ে হাঁটতে গিয়ে বারে বারে হোঁচট খাচ্ছিলাম, তো  তখন অনন্যা দি বলেন -তুমি ধুতি নিয়ে না ভেবে এটা ভাব তোমাকে টেলিভিশনে লক্ষাধিক লোক দেখবে সেক্ষেত্রে তুমি সংলাপে মন দাও দেখ তোমার জন্য যেন অন্যের লাইটকাট না হয় সেটা নজরে রাখ। উনি এত কিছু দিকে নজর দিতে বললেন যে আমার ধুতি পরে থাকার  কথা আর তেমন করে মনে ছিল না এবং আমার শট  একেবারে ঠিকঠাক হয়। এটাই বড় শিল্পীর পরিচয়, কাজটা বের করে নেওয়া। এছাড়াও রাত্রি দি, সাবিত্রী ম্যামের মতন গুনি মানুষের সাথে কাজ করতে পেরে আমি ্নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। 


প্রঃ সুবর্ণলতার পর আপনি কী কী কাজ করেছেন? 

শুভাননঃ এরপর ভেঙ্কটেশ ফ্লিমসের সাথে সতীনকাঁটা, স্টারজলসা-এ টাপুর টুপুর-এ, এছাড়াও আকাশ আটে 'ঘেঁটে ঘ' তেও কাজ করি।এর পর পড়াশুনার জন্য কাজ কিছুতা কমাতে হয়। তবে ২০১৮ তে ভানুমতিতে বেশ কিছুদিন কাজ করি। তবে সে সময় বুঝি যে বার বার কাজের সুযোগ ছাড়া কেরিয়ারের জন্য অবশ্যই সঠিক সিদ্ধান্ত নয়, কিন্তু পড়াশুনার জন্য বার বার ই আমাকে ব্রেক নিতে হয়েছে। 

প্রঃ ভানুমতির খেলের পর আর কী কাজ করেছেন আপনি? 

শুভাননঃ এরপর 'এই পথ যদি না শেষ হয়'-তে সেকেন্ড লিড অর্কের বন্ধুর চরিত্রটি করি খুবই ছোট চরিত্র তবে স্বর্নেন্দু সমাদ্দার বলেন যে এই চরিত্রটা আমাকে বড় ব্রেক এনে দিতে পারে। আমি ও চরিত্রটি যথাযথ ভাবে করার চেষ্টা করেছি। জি বাংলার ফেসবুক পেজে কাজের প্রশংসা পাই।সত্যিই এই কাজটি আমার জন্য খুবই লাকি তা প্রমাণিত হয়।  

প্রঃ কাজটি লাকি প্রুফ হয়, ব্যপারটা যদি শেয়ার করেন? 

শুভাননঃ এরপর সান বাংলাতে একটি প্রজেক্টের জন্য অডিশনে যাই, অভি রক্ষিত ডাকেন আমাকে।  যদিও লিড রোলটা পাইনি তবে সেকেন্ড লিডটা দেওয়া হয় আমাকে। তবে এক্ষেত্রে একজন মানুষের নাম না করলেই নয়। তিনি হলেন পুনম ঝাঁ , উনি ই আমাকে সানের এই প্রজেক্ট টা সম্পর্কে বলেন। তিনি বলেন  আমার কাজ ওনার ভাল লেগেছে এবং আমি ডাক পাই। আরো দুজন মানুষের কথা বলব পূজা দি ও অভি দা ওনাদের সহযোগিতা ও সহচার্য্যে সান বাংলার সাথে আমার পথ চলা শুরু হয়। এরপর ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ভাবেন যে এই পথের কাজ টা আর করব না। কিন্তু আমার কাছে কাজটা গুরুত্বপূর্ণ তার দৈর্ঘটা নয়। 

প্রঃ একই সাথে দুটো ফ্লোর কী ভাবে ম্যানেজ করেছেন সে সময়? 

শুভাননঃ ২০২১ এ 'সাথী' আর 'এই পথ যদি না শেষ হয়' একসাথে কাজ করি, এবং দু'জায়গাতে কাজ করতে তেমন অসুবিধা হয় নি। দুটো হাফ মিলিয়ে কাজটা ঠিক ম্যানেজ হয়ে যেত। 

প্রঃ আপনার কো-আর্টিস্ট সম্পর্কে কী বললেন? 

শুভাননঃ অনন্যা দি, রাত্রি দি , বিশ্বনাথ দা, সাবিত্রি ম্যামের কথা তো বলেইছি। তারা সত্যিই ভীষন গুণী এবং অমাইক। এই প্রসঙ্গে বলব অনেকের কাছেই তাদের কো-আর্টিস্টদের সম্পর্কে না না কথা শুনেছি, তবে আমি আমার কেরিয়ারে আপাতত আমি যাদের সঙ্গে কাজ করেছি তারা সকলেই ভীষণ ভাল মানুষ। এ প্রসঙ্গে "এই পথ যদি না শেষ হয়"-র অর্ক দা এবং ঋত্বিক দার কথা আলাদা করে বলার নেই। কাজের ক্ষেত্রে তারা আমাকে যথেষ্ট স্পেস ও কমফর্ট দিয়েছেন।সাথীতেও ইন্দ্রজীৎ দা  তাছাড়া অনুমিতার সাথে ও কাজ করার সময় সেই একই স্বাচ্ছন্দ্য পেয়েছি। তবে খারাপ অভিজ্ঞতাও আছে , মায়ার বাঁধনে ঠিক ৪ দিনের মাথায় আমি কাজটা ছেড়ে দিই। 

'সাথী' আমার জীবনের একটা বড় ব্রেক। তাই যে মানুষগুলোর সাহায্য ছাড়া আমি কাজটা করে উঠতে পারতাম না, তাঁদের কথা একে একে বলতেই হয়। প্রথমেই যাদের কথা বলব তাঁরা হল, আকাশ দা আর অতনু দা। এনারা আমার ডিরেক্টরিয়াল টিমের প্রধান দু'জন ডিরেক্টর। আমি একটা সামান্য শট দিতে গেলেও ''এটা করব আকাশ দা? এটা করব অতনু দা?'' এভাবে প্রশ্ন করি। এই দু'জন গুণী মানুষকে আমি নানান সময় পাশে পেয়েছি এভাবেই। এছাড়াও আমার সিনিয়র, যাদের কথা না বলে থাকা যায় না, তাঁদের মধ্যে চারজন সিনিয়র হলেন, আমার বাবা-মা করেন পিয়ালি দি ও কুশল দা। গৌতম দা আগে আমার বাবার চরিত্র করতেন। এখন কুশল দা করেন। গৌতম দার কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। আবার রিসেন্ট কুশল দা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছেন। কোথাও ভুল হলে ''এটা কর, ওটা কর।'' একইভাবে পিয়ালি দি, তিনিও আমাকে দেড় বছর ধরে শিখিয়েছেন। ঠাম্মির কথা আর কি বলব? আমি অফ স্ক্রিনেও তাঁকে ঠাম্মিই বলি। তিনি হলেন রুমকি চট্টোপাধ্যায়। সবাই তাঁকে চেনেন। শুধুমাত্র আবীর চট্টোপাধ্যায়ের মা হিসেবে নয়, ওনার নিজের জন্যই আমি ওনাকে অত্যধিক ভালোবাসি। আর যে মানুষটির নাম নেব, তিনি হলেন অনির্বাণ দা। আমি এত বছর ধরে কাজ করছি আমার অফিস ফোরামের কার্ড ছিল না। একমাত্র অনির্বাণ দার সাহায্যেই আমি এই কার্ড করি দেড় বছর আগে। শুধুমাত্র তাই নয়, অনির্বাণ দা প্রচণ্ড মজার মানুষ সাথে করে প্রচণ্ড হেল্পফুল একজন মানুষ। তাই কাজের ক্ষেত্রে এই মানুষগুলির ভূমিকা আমার জীবনে অনেকটাই। এনাদের ছাড়া আমি অন্ধকার। 

প্রঃ জুনিয়র আর্টিস্ট সম্পর্কে আপনার দৃষ্টিভঙ্গী প্রসঙ্গে যদি কিছু বলেন? 

শুভাননঃ সিনে ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু জুনিয়র আর্টিস্ট ছাড়া অচল।অনেক সময়ই দেখি যে এই প্রবল গরমে তাদের বাইরে অপেক্ষা করতে হয় শটের জন্য। বলি ইন্ডাস্ট্রিতে জুনিয়র আর্টিস্ট টার্ম টাই আর ব্যবহার করা হয় না। সেখানে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিরও তাদের নিয়ে ভাবা উচিত বলে মনে হয়।

প্রঃ আপনি স্ক্রিপ্ট সিলেক্ট করেন ঠিক কী কী বিষয় দেখে? 

শুভাননঃ এ প্রসঙ্গে একটা কথা আমি বলব। আমি এই ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকটাই নতুন, আর কোভিড পিরিয়ডের পর সবে সবে ইন্ডাস্ট্রি ফর্মে আসছে। এক্ষেত্রে স্ক্রিপ্ট বিচার করে কাজ করতে গেলে কেরিয়ারে গতি আনা সম্ভব হবে না। সেক্ষেত্রে স্ক্রিপ্ট সিলেক্ট করার ব্যাপারটা আমার মত নিউ কামারদের জন্য এই মুহুর্তে সম্ভব নয়। যখন একটা দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা থাকবে সে ক্ষেত্রে কিছুটা সিলেকটিভ হওয়া যেতেই পারে। 

প্রঃ আপনি তো ডান্স ও ভালবাসেন সেক্ষেত্রে কেরিয়ার হিসাবে অভিনয়কে কেন বেছে নিলেন? 

শুভাননঃ আমি অ্যালেন স্যারের স্টুডেন্ট ছিলাম। ডান্সের প্রতি আমার ভালোবাসা আছে,  শেখার ইচ্ছা ও আগ্রহও  আছে।  কিন্তু আমাকে লাইট-ক্যামেরা-অ্যাক্সন -কাট কথাটাই বেশি টানে।  

প্রঃ কেমন চরিত্রে অভিনয় করতে পছন্দ করেন? 

শুভাননঃ কেরিয়ারের এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আমি লিড বা সেকেন্ড লিড হিসাবে কাজ করতে চাই। তবে সাইকো ভিলেন চরিত্র করতে চাইছি। যেমন ধরুন ডর বা বাজিগরে শাহরুখের মত যদি চরিত্র হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই করব। বলতে পারেন এই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করা আমার স্বপ্ন। 

প্রঃ আপনার ওয়ার্ক সিডিউল নিয়ে যদি কিছু বলেন? 

শুভাননঃ ফোরাম ১০ ঘন্টা কাজের কথা বলে তবে অনেক ক্ষেত্রেই কাজের স্বার্থে কাজের সময়ে কিছুটা কম বেশী হয়। সিনের ডিমান্ট, ইন্সট্যান্ট লাইনার বা টেলিকাস্টের প্রেসার থাকলে অনেক ক্ষেত্রে কাজের সময় বেড়ে যায়, তবে সব কাজের জায়গাতেই এমন হয়েই থাকে, কাজের জায়গায় এটুকু ফ্লেক্সিবেল হতেই হয়।

প্রঃ সোশাল মিডিয়াতে আপনি তো বেশ অ্যাক্টিভ? 

শুভাননঃ এ প্রসঙ্গে একটা মজার জিনিস শেয়ার করতে চাই  সেটা হল , আমার কো-আর্টিস্ট যেমন মেঘা , অনুমিতা, শ্রেয়াশ্রী এরা আমার থেকে অনেক ছোট কিন্তু টেকনিক্যালি ভীষন সাউন্ড, ওরা বলে রিলস না করলে প্রোফাইলের রিচ বাড়বে না। ওদের প্রেসারেই রিলস করা। ওরাই আমাকে ফিল্টার চেঞ্জ করাটাও শিখিয়েছে। 

প্রঃ কাজ থেকে ছুটি পেলে কী ভাবে সময় কাটান আপনি? 

শুভাননঃ আমি জয়েন্ট ফ্যামিলিতে থাকি সেক্ষেত্রে মা বাবার সাথে সময় কাটানোর সাথে সাথে পরিবারের বাকিদের সাথেও সময় কাটাতে বেশ পছন্দ করি। 


প্রঃ আপনার পরিবার সম্পর্কে কী বলতে চান? 

শুভাননঃ আমি খুবই ভাগ্যবান যে এমন একটি পরিবার আমি পেয়েছি যারা আমার কঠিন সিদ্ধান্তে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। আমার পরিবারের সকলেই সরকারী কর্মচারী, সেক্ষেত্রে আমি একেবারে অন্যরকম একটা কেরিয়ার বেছে নেওয়াতে তাদের সহযোগিতা ও সাপোর্ট পেয়েছি। 

প্রঃ অনেকেই লাইম লাইটে আসার জন্য অনেকেই সোশাল মিডিয়াকে মাধ্যম করছে, সে ব্যপারে কী বলবেন? 

শুভাননঃ কাজের ব্যাপারে প্যাশন আর ডেডিকেশনটা জরুরি। সেক্ষেত্রে অনেকেই সোশাল মিডিয়াকে প্ল্যাটর্ফম হিসাবে ব্যবহার করছে। সেখান থেকে কাস্টিংও হচ্ছে। তবে কাজের জন্য এবং দীর্ঘ পরিসর জুড়ে কাজের জন্য ট্যালেন্ট ও ডেডিকেশনটা জরুরি। কেবল নিজেকে শোকেস করে সেটা কখনই সম্ভব নয়। 

প্রঃ টেলি ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন যারা কাজ করতে আসতে চায় তাদের জন্য কী বলবেন? 

শুভাননঃ টেলি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার জন্য ধৈর্য্য রাখাটা জরুরি। অনেক ক্ষেত্রেই ফ্যামিলি ও সোসাইটিকে পাশে পাবে না,  সেক্ষেত্রে লড়াই করার মানসিকতা থাকলে তবেই এই ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থেকে কাজ পাওয়া সম্ভব। সাথে কাজের প্রতি ডেডিকেটেট হতে হবে, এবং কাজের জন্য প্যাশন থাকতে হবে, তবেই এই ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা সম্ভব। 

প্রঃ ছবিতে কাজ করার ইচ্ছা আছে? 

শুভাননঃ চেষ্টা করছি, এবং এই চেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। তবে কেবল মুভি নয় ওয়েব সিরিজেও কাজ করতে চাই। বেশ কিছু মিউজিক ভিডিয়োতেও আমি কাজ করেছি,  বিশেষ করে রবীন্দ্র সঙ্গীত। তবে একটা অপূরণীয় আক্ষেপ রয়ে গেল, ঋতুপর্ণ ঘোষের সঙ্গে কাজ করার একটা স্বপ্ন ছিল, সেটা তো আর পূরণ হবার নয়। 

প্রঃ এই সময় দাঁড়িয়ে আপনার প্রিয় টলিউড অভিনেত্রী কে ?  

শুভাননঃ একজনের নাম বলা মুশকিল , তবে যদি বলতেই হয় আমি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। পাওলি দাম ও সোহিনীদির কথা বলতে চাই। এদের আর সেকেন্ড কপি হবে না। 

এরপর শুভানন দুরন্ত বার্তার জন্য একটি স্পেসাল নোট রেখেছে যা অবশ্যই বলতে চাই, শুভানন বলেন-" দুরন্ত বার্তার জন্য অনেক শুভেচ্ছা রইল, এবং ধন্যবাদ আমাকে বেছে নেওয়ার জন্য। আগামী সময়ে আবারো একসাথে কাজ করার ইচ্ছা থাকল।"  এবং শুভাননকেও দুরন্ত বার্তার তরফ থেকে আগামী দিনের উষ্ণ অভিনন্দন। 



You might also like!